চারুকলায় মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে শিল্পকর্ম প্রদর্শিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ আয়োজিত আসন্ন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা-১৪২৪’এর তহবিল সংগ্রহের জন্য দেশের স্বনামধন্য শিল্পীরা তাঁদের কিছু মূল্যবান শিল্পকর্ম প্রদান করেছেন। আজ (১০ এপ্রিল ২০১৭) সোমবার বিকেলে অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে উক্ত শিল্পকর্মসমূহ প্রদর্শন শুরু হয়েছে। প্রদর্শনীসহ মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) ও ১লা বৈশাখ উদ্যাপন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনসহ অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রদর্শনীসহ মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনের সময় মতবিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ইউনেস্কো কর্তৃক ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ ঘোষণা করার কারণে এবছর নববর্ষ আয়োজনের এক বৈশ্বিক গুরুত্ব রয়েছে। আনন্দময় পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে সতর্কতার সাথে নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রচুর লোকসমাগম হয় এসময় নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় মনে রাখতে হবে। জঙ্গিবাদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে উপাচার্য বলেন, সবার সচেতনতা এক্ষেত্রে অপরিহার্য। সকলে সম্মিলিতভাবে ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালীর জীবনে আবহমান কাল ধরে পালন হয়ে আসছে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এর আঙ্গিক পরিবর্তন হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে ধর্মের কোন সংঘাত নেই, এটি সাংস্কৃতিক বিষয়, সাংস্কৃতিক আন্দোলন। এটি অন্ধকার ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়াই। সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সাধারন মানুষ সবাই মিলে এ লড়াই লড়তে হবে। এখানে সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ একত্রে বসবাস করে, এটাই বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও এটাই বাংলাদেশের ইতিহাস।

পরে অতিথিরা মঙ্গলশোভাযাত্রার প্রস্তুতির বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

Mangal Shovajatra

পছন্দের আরো পোস্ট