ইস্ট ওয়েস্টে এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাবের সেমিনার

IMG_5730খাদ্য উৎপাদনে স্বংয়সম্পূর্ণতা অর্জনের পর এবার কৃষকের ভাগ্য ফেরাতে অর্থকারী ফসল উৎপাদনে ঝুঁকবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বাড়াতে বায়োটেক এবং জিনগতভাবে পরিবর্তিত ‘জি এম’ শস্য উৎপাদনে জোড় দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।

 

তিনি বলেন, জিএম খাদ্য শস্যে কোন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান পাবার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই অধিক জনবসতির এই দেশে অযথা জিএম শস্য নিয়ে বির্তক করে বসে থাকা হবে না। বিদ্যুতের উৎপাদন আরেকটু বাড়লে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান। বুধবার বিকেলে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কৃষি অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ’ শিরোনামের সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।

 
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং এসিআই গ্রুপের চেয়ারম্যান এম আনিস-উদ-দৌলা। সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারপার্সন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। কৃষি খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বক্তরা বলেন, এ খাতে বাংলাদেশের আরো এগিয়ে যাবার সুযোগ আছে। কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে জমিতে গড় উৎপাদন মাত্রা বাড়াতে হবে এবং ফসলের নায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

 
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যলয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

 

 

পছন্দের আরো পোস্ট