ব্র্যাকে সন্তান লালন পালনে পিতা-মাতার ভূমিকা নিয়ে সেমিনার

IMG_3601জৈবিক, মানসিক, জ্ঞানীয় এবং সামাজিক পরিবর্তনের কারণে প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে কৈশোর সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্র্যাক বিশবিদ্যালয়, ছাত্র ছাত্রীদের ব্যক্তিগত, শিক্ষাগতএবং সামাজিক বিকাশের ক্ষেত্রে পিতামাতা, এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

 

এই সচেতনতাকে সামনে রেখে গতকাল (১২ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিংইউনিট“সন্তান লালন পালনে পিতা-মাতার ভূমিকা” শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে। কৈশোর অতিবাহিত ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে বাবা মায়ের ভূমিকা এবং তাদের অভিজ্ঞতা, একই সাথে এই সময়ে সন্তানদের সাফল্যলাভের জন্যে বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তাতে আলোকপাত করা, এই সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য ছিল।

 

সেমিনারে বক্তা হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান মনোবিজ্ঞানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল এবং কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড। মেহতাব খানম এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং ইউনিট এর লেকচারার এবং সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর সুমাইয়া আনোয়ার। কৈশোরে বিভিন্ন পরিবর্তন এবং এসময় পিতা মাতাসহ পারিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবদান কতটা ভূমিকা রাখে তা নিয়েপ্রথমেই আলোচনা করেনসুমাইয়াআনোয়ার। পরবর্তীতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছরকে সামনে রেখে সন্তানদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, আবেগীয় এবং শিক্ষাগত পরিবর্তনে বাবা মায়ের মতামত বিশ্লেষণ করেন।

 

সেমিনারের দ্বিতীয় পর্যায়টি পরিচালনা করেন প্রফেসর মেহতাব খানম, সেখানে তিনি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সন্তানের বিকাশে কতটা প্রভাব ফেলেসে বিষয়ে আলচনা করেন এবং সন্তানকে ঘিরে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে কিভাবে তা ইতিবাচকভাবে মোকাবেলা করা যাবে সেই বিষয়ে কথা বলেন।

 

সেমিনারে বাবা মা তাদের অভিজ্ঞতা ব্যাক্ত করেছেন এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সেশনটি অংশগ্রহণমূলকছিল। পিতামাতা তাদের সম্যসার কথা বলতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিশেষে, আমন্ত্রিত সকল পিতা-মাতাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনারটি শেষ করা হয়।

 

লেখাপড়া২৪.কম/ব্র্যাক/পিআর/স্বশা-৪৫৪৮

পছন্দের আরো পোস্ট