এস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব

7F9A7622একাদশ এশিয়ান-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ক্ষুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী মোঃ মাহমুদুন্নবী ও ফাইরুজ ইশরাক সেরা ফলাফল অর্জন করে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন আর সেরা তত্ত্বীয়ের পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন কাজাকিস্থানের আগিশেভ দামীর।

 

আজ (২১ নভেম্বর ২০১৫) ঢাকার আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাদশ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডের সমাপনী অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিঃ আলেকজান্ডার এ নিকোলাভ।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান, ইন্টারন্যাশনাল এস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ড. এম জি গেবরিলোভ, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের মহাপরিচালক স্বপন কুমার রায়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলাম, ঢাকাস্থ রাশিয়ান বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মিঃ আলেকজান্ডার পি ডেমিন ও বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জনাব মাশহুরুল আমিন।

 

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের ৩ জন, কাজাকিস্থানের ৪ জন, শ্রীলংকার ৩জন ও রাশিয়ার ১জনকে ডিপ্লোমা সনদ প্রদান করা হয়।

 

বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের বাংলাদেশ দূতাবাসের সাংস্কৃতিক বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ এস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখ শুরু হয়। এ অলিম্পিয়াডে রাশিয়া, কাজাকিস্তান, শ্রীলন্কা ও বাংলাদেশের মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়েই এই প্রতিযোগিতা।

 

Post MIddle

অলিম্পিয়াডে গুরুত্বপূর্ন যে বিষয়গুলো ছিল তা হলো মহাশূন্য পর্যবেক্ষণ, আকাশের তারাদের অবস্থান নির্ণয়, তাদের নাম জানা, তাদের চিহ্নিত করা। হাতে কলমে কিছু ব্যবহারিক কাজের পাশাপাশি ছিল কিছুটা পড়াশুনা ও ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ন স্থান ও স্থাপনাসমূহ পরিদর্শন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মিঃ আলেকজান্ডার এ নিকোলাভ বলেন, মহাকাশের রহস্য উম্মোচনে জ্যোতির্বিজ্ঞান হচ্ছে মজার এক বিষয় যা সবসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর আগ্রহ সৃষ্টি করে থাকে । তিনি এ অলিম্পিয়াডের অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আগামী শতাব্দীতে মহাকাশ গবেষণায় নিয়োজিত থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোঃ সবুর খান বলেন, অলিম্পিয়াড জ্ঞান বাড়ায়। অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হয়। বিভিন্ন দেশের এই মানুষেরাই হয়তো এক সময় হয়ে উঠবে এক অন্যের সহকর্মী। আমরা যদি বড় বড় বিজ্ঞানী চাই তাহলে স্কুল পর্যায় থেকেই কাজ শুরু করতে হবে।

 

এই জানার প্রতি ভালাবাসাই মহাশূণ্য নিয়ে তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরী করবে। মহাকাশের রহস্য উদঘাটনে এ ধরনের অলিম্পিয়াডের আয়োজন খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং এ ধরনের আয়োজনে সম্পৃক্ত হতে পেরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি গৌরবান্বিত এবং আগামীতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণামূলক কর্মকান্ডে বিশ^বিদ্যালয়ের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ঘোষনা দেন।

 

লেখাপড়া২৪.কম/ড্যাফোডিল/পিআর/স্বশা-৪৪৪৭

পছন্দের আরো পোস্ট