শাবির বাজেটে বেতন ভাতা বাড়লেও বরাদ্ধ নেই গবেষণায়

শাহজালালবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনেন্স ডিরেক্টর আ ন ম জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানান। বাজেটে গতবারের তুলনায় শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন বাবদ বরাদ্ধ বাড়লেও এবারও গবেষণাখাতে কোনো বরাদ্ধ নেই।

SU

 

উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের বাজেটে গাবেষণাখাতে কোনো বরাদ্দ না দেয়াকে শিক্ষার রাজনৈতিকরণ আর বাণিজ্যকরণের প্রয়াস হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

 

 

 

২০১৪-১৫ অর্থ বছরের মোট ৫৪ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন ও ভাতাদি খাতে বরাদ্ধ ৩৮ কোটি ৪৫ লাখটাকা, যা গত অর্থ বছরেছিল ২৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা, পেনশন খাতে বরাদ্ধ ১ কোটি ৩০ লাখটাকা যা গত অর্থ বছরে ছিল ১ কোটা টাকা, সাধারণ আনুষঙ্গিক খাতে বরাদ্ধ ৬ কোটি টাকা যা গত অর্থ বছরেছিল ৫ কোটি ২০ লাখ টাকা, শিক্ষা আনুষঙ্গিক খাতেবরাদ্ধ ৬ কোটি ২০ লাখটাকা যা গত অর্থ বছরেছিল ৪ কোটি ২০ লাখ, রক্ষণাবেক্ষণে ৭০ লাখ টাকা যা গত অর্থ বছরেছিল ৬০ লাখ টাকা, মূলধন মঞ্জুরি খাতে বরাদ্ধ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা যা গত অর্থ বছরে ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

 

 

এছাড়া বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি টাকা।

 

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক উদ্দিন বলেন, যে বাজেটে গবেষণায় কোনো বরাদ্দ নেই তা কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় তথা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের বাজেট হতে পারে না। এই বাজেট বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনৈতিক চর্চা ও লুটপাটের কেন্দ্রে পরিণত করার একটি প্রয়াস বলে তিনি মনে করেন।

 

 

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক অনিক ধর বলেন, গবেষণায় কোনো বরাদ্দ না দিয়ে হেকেপ বিশ্ব ব্যাংক পিপিপি’র মাধ্যমে সরকার শিক্ষাকে বাণিজ্য করণ করছে।

 

 

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা-গবেষণায় বরাদ্দ না বাড়ানোয় গবেষণা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে।

 

স: ইএইচ

 

 

পছন্দের আরো পোস্ট