পাবিপ্রবিতে জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণের দিনটি যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবার। আজ রোববার সকাল ১১ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ ও রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) বিজন কুমার ব্রহ্ম।

৭ মার্চ উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলী এক বাণীতে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইতিহাস বদলে দেওয়ার ভাষণ। এটি দুনিয়া কাপানো এক মহাকাব্য। এই ভাষণের মধ্য দিয়ে একটি দেশের জন্ম হয়েছে, সেই ভাষণের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু। রাজনীতির কবির কণ্ঠে সেই অমর কবিতা ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে প্রমাণ করে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ এটি । বঙ্গবন্ধুর কালোত্তীর্ণ উদ্দীপ্ত ভাষণ ছিল মূলত স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যেই স্বাধীনতার বীজ লুকায়িত ছিল। ১৬ ডিসেম্বর যার চূড়ান্ত রুপ লাভ করে।

শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ বলেন, জাতির পিতা তাঁর সারাটা জীবন বাংলার মানুষের কথা বলেছেন। ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে তিনি নিরস্ত্র বাঙালিকে একমঞ্চে নিয়ে এসেছিলেন। কোষাধ্যক্ষ বলেন, বাংলাদেশে অনেক নেতা ছিলেন তাঁরা কোন বইয়ের একটি অধ্যায় বা পাতা হতে পারেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু পুরো একটি বই। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম তাঁকে বাঙালির মনে রাখতে হবে।

আরও শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অফিসার্স এসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রশাসন, শেখ হাসিনা পল প্রশাসন, প্রক্টর অফিস, ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তর, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, বাংলা বিভাগ, রসায়ন পরিবার, ইংরেজি বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ইতিহাস ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগ, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তর, রোভার স্কাউটস গ্রুপসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইতিহাস ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ। অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধুর আতœার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

পছন্দের আরো পোস্ট