ঢাবিতে বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা অনুষ্ঠিত

ঢাবি প্রতিনিধি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস এন্ড লিবার্টি’ এবং ‘উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র’-এর যৌথ উদ্যোগে আজ ২৬ জানুয়ারি ২০২১ মঙ্গলবার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’-এর দ্বিতীয় বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস এন্ড লিবার্টি’র পরিচালক এবং ইউজিসি অধ্যাপক ড. ফকরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন যুগ্মভাবে Disaster Risk Governance in Bangladesh: Contributions of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ঢাকা স্কুল অফ ইকোনোমিক্স এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর নিজস্ব দর্শন ও পারিবারিক দর্শন থেকেই সর্বদা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কবলিত মানুষের পাশে সাহয্য-সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সারাবিশে^ রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এই স্বীকৃতির জন্য আজ আমরা গর্বিত।

প্রবন্ধের উপর আলোচনায় ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ বলেন, ছাত্রনেতা, অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা এবং রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বাঙালি জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবেলা এবং জীববৈচিত্র ও পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও সূদরপ্রসারী চিন্তাভাবনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও ত্রাণ তৎপরতা বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা করতে হবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

পছন্দের আরো পোস্ট