১৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইউজিসির কর্মসম্পাদন চুক্তি

 নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মশৃঙ্খলা প্রতিপালনের অভাব দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দিয়ে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় চলছে, সেগুলোতে শিগগিরই স্থায়ী রেজিস্ট্রার নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

গতকাল রোববার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালসমূহের মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মশৃঙ্খলা প্রতিপালনের অভাব দেখা যাচ্ছে।

 

‘বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে এবং বিদ্যমান আইন যথাথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রারের কাজ হবে সঠিক তথ্য উপাচার্যদের কাছে তুলে ধরা।’

 

বেশ কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে রেজিস্ট্রার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের উচিত দ্রুত স্থায়ী রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া।

 

কেননা রেজিস্ট্রার বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান মেনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় উপাচার্যকে সহযোগিতা করেন। একজন কর্মঠ ও দক্ষ রেজিস্ট্রারের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কিছুই নির্ভরশীল। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রাদের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।

 

প্রথম পর্যায়ে রোববার ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) করেছে ইউজিসি। কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রাররা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। আজ ও ১৫ সেপ্টেম্বর বাকি ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই চুক্তি করা হবে বলে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

কমিশনের মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের এপিএ চুক্তি করা ছাড়াও গত অর্থবছরের এপিএ’র মূল্যায়ন সভা করেছে ইউজিসি। ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বক্তব্যে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষার সার্বিক অগ্রগতি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, ফলাফলধর্মী কর্মকা-ে উৎসাহ প্রদান, কর্মকৃতি মূল্যায়নের লক্ষ্যে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে।

 

কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ এবং অধ্যাপক মো. আবু তাহের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।#

 

পছন্দের আরো পোস্ট