ঢাবিতে অনলাইনক্লাস শুরুর আগে ৬ শর্ত পূরণের দাবি স্বতন্ত্র জোটের

নিজস্ব প্রতিবেদক।

করোনা মহামারীর জন্য গত ৩ মাসের বেশি সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এই বিরতিতে আমাদের শিক্ষা জীবনে ক্ষতি হলেও সকলেই স্বাস্থ্য ও জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেই ক্ষতি মেনে নিয়েছে। আজ ২৫ জুন ঢাবিপ্রশাসনেরএকটিভার্চুয়ালসভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশ-বিদেশের অন্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ১ জুলাই থেকে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার শিক্ষার্থীরা এখনও অনলাইন ক্লাস শুরু করার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত নয়। এমতাবস্থায়, সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আমরা নিম্নোক্ত দাবিগুলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে উথাপন করছি।

১. অনেক শিক্ষার্থীর পরিবার অর্থকষ্টে ভুগছে। ক্লাস শুরুর আগে তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থসাহায্যের ব্যবস্থা করতে হবে।
২. ব্যাচ অনুসারে পূর্ণ জরিপ করতে হবে। কতজনের কোন সাহায্য ছাড়াই ক্লাস করা সম্ভব, কতজনের সাহায্য পেলে সম্ভব, কজনের নেটওয়ার্ক সমস্যা কিংবা পারিবারিক অবস্থার কারণেকোন মতেই সম্ভব না সেসবের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এই জরিপ ফোন করে করতে হবে। গুগল ফর্মের মাধ্যমে জরিপে শুধুমাত্র যাদের ইন্টারনেট এক্সেস আছে তারাই জরিপে অংশ নিতে পারে। যদি কোন বিভাগ/ইনস্টিটিউটের কোন ব্যাচে ফিনানশিয়াল হেল্প নিয়েও ক্লাস করতে পারবে না এমন কেউ থাকে তাহলে ঐ ব্যাচের ক্লাস নেয়া যাবে না।
৩. যাদের আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন (ডিভাইস/ইন্টারনেট) তাদের বিভাগ/ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে সাহায্য করতে হবে। ক্লাস বন্ধ থাকায় যেসব বাজেট বেচে যাচ্ছে এইসব থেকে ডিভাইস ও ইন্টারনেটের পূর্ণ ফান্ডিং নিশ্চিত করতে হবে।
৪. অনেকের ইন্টারনেট স্পিড পর্যাপ্ত নয়। তাই অবশ্যই সকল ক্লাস পরে ডাউনলোড করার জন্য মুক্ত রাখতে হবে।
৫. উপস্থিতির ওপর বাধ্যবাধকতা কিংবা কোন মার্কস রাখা যাবে না।
৬. শিক্ষকদের অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করার জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

পছন্দের আরো পোস্ট