বরাদ্দকৃত শিক্ষা খাতের বাজেটে জবি শিক্ষার্থীদের মন্তব্য

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, জবি প্রতিনিধি।

চলমান করোনা পরিস্থিতির মাঝেই প্রস্তাবিত হলো ক্ষমতাসীন সরকারের ৪৯ তম বাজেট। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালজাতীয় সংসদে মোট ৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকার এবারের বাজেট পেশ করেন। যেখানে শিক্ষা খাতের বাজেটে প্রাথমিক এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে ৬৬ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা খাতের মত এত গুরুত্বপূর্ণ খাতে গতানুগতিক বাজেট হওয়ায় এ বিষয়ে জবি শিক্ষার্থীদের মতামত তুলে ধরা হলো।


যুগ উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থায় চাই বৈষম্যহীন বন্টননীতি-জান্নাতুল ফেরদৌস জেবা: ২০২০-২১ অর্থ-বছরের মোট প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দ ধরা হয় ৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ( দুই বিভাগ) মিলিয়ে শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৬৬ হাজার ৪০১ কোটি টাকা। শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতে এই ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। কোন একটি দেশ আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিল্প-বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগতভাবে কতটা উন্নততর তার বেশিরভাগই নির্ভর করে সে দেশের শিক্ষাখাতের সবলতার উপর। আর শিক্ষাখাতের সাবলীলতা ও সামর্থ্যকতা তখনই আসে। যখন ধারাবাহিকভাবে উর্ধ্বক্রমে তার শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি, বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং কাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকে। এর সঙ্গে পারিপার্শ্বিক বিষয়, দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, বৈষম্য-দূরীকরণ ইত্যাদি বিষয়গুলোও প্রভাব বিস্তার করে। অতএব একথা বলার অপেক্ষা রাখে না প্রত্যেক অর্থবছরেই শিক্ষা খাতের বরাদ্দ দেশের সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপুর্ণ। বৈশ্বিক মহামারি করোনার এই সংকটময় সময়ে সরকার এবারের বাজেটে শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ দেখিয়েছে তা বিগত ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ৫ হাজার ২৮৭ হাজার কোটি টাকা বেশি৷ এজন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু শতকরা হারে শিক্ষাখাতে এবারের বাজেট মোট প্রস্তাবিত বাজেটের প্রায় ১১.৬৮ শতাংশ। যেটা গত বাজেটের ০.০১ শতাংশ বেশি মাত্র। গত এক দশকের বাজেট বিশ্লেষণে আমরা দেখতে পাই, শিক্ষা খাতের গড় বরাদ্দ মোট বাজেটের মাত্র ১০%-১২% বা, ১১%-১৩% এই সীমার মধ্যেই ঘুরপাক খায় এবং তা জিডিপির মাত্র ২শতাংশ। অথচ শিক্ষার মর্যাদা ও মানোন্নয়ন সম্পর্কিত ‘ইউনেস্কো -আইএলও যৌথ নীতিমালা ১৯৯৪’ – তে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বা বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ করতে হবে এবং উল্লেখ্য বাংলাদেশে সরকার সেই রেজুলেশনে স্বাক্ষরও করছে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের বাজেটের শিক্ষা-খাতে বরাদ্দ এখনও সময়োপযোগী নয়। আবার একথাও মাথায় রাখা প্রয়োজন যে করোনা কালীন পুরো বাজেট প্রণয়নই যেখানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেখানে শিক্ষার বাজেটকে বাস্তবায়ন কল্পে সরকার হয়ত একটি মধ্যম পন্থা বেছে নিয়েছে এবং তা সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও প্রয়োগও কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা- খাতের সঙ্গে সুকৌশলে অন্যান্য খাত যোগ করে নামকরণ করে সেখানে বরাদ্দ বেশি দেখানো হচ্ছে যাতে করে সমীক্ষা ও সমীকরণে সেটি সন্তোষজনক আকার ধারণ করছে অথচ গুণগত ও সময়োপযোগী শিক্ষার দেখা মিলছে না। বরাদ্দকৃত অর্থের অনেকটাই পার্শ্ব ও সংশ্লিষ্ট খাতে সরকারের হাতে রেখে মানোন্নয়নের চেষ্টা চলছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নানাবিধ কারণে সেটি এখনও অর্জিত হয় নি। শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়লেও উচ্চশিক্ষা গবেষণায় আমরা এখনও অনেক পিছিয়ে তা বৈশ্বিকগবেষণা রিপোর্টগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এখনও দেশে শতকরা ৯৭ ভাগ বেসরকারি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান দৃশ্যমান এবং এমপিও ভুক্তির তালিকার বাইরে রয়েছে এক-চতুর্থাংশ শিক্ষক। এই করোনা-কালীন সংকটে সরকারকে তাদের পাশে দাঁড়ানোও শিক্ষা-বাজেটের একটি অংশ হওয়া উচিত বলে মনে করি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনও শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত হয় নি। সেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কথা বলাটাই বাহুল্য। তাই এই সংকটময় সময়ে আবাসিক হলবিহীন শিক্ষার্থীদেরকে আবাসনজনিত অতিরিক্ত অনেক অর্থগুনতে হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রসঙ্গত এবিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে একটি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বক্তব্য আমাদেরকে ভাবিয়ে তোলে। শিক্ষাক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকেরে আসনে আসীন ব্যক্তিদের এহেন বক্তব্য আমাদের মনে শঙ্কা জাগায় সত্যি কি আমরা এগিয়ে যাচ্ছি নাকি ঢের পিছিয়ে পড়ছি। বৈশ্বিক মহামারির এ সময়ে মোট বাজেট বাস্তবায়নই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।সেখানে শিক্ষাক্ষেত্রের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দের সুষ্ঠু ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োগ অবশ্যই কঠিন একটি বিষয়। আশা করি সরকার ভবিষ্যতে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আরো গুরুত্ব দিয়ে কর্মমুখী, গুণগত, বৈশ্বিক মানসম্মত এবং শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করবে। সাথে চলতি অর্থবছরের শিক্ষা- বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে এ-ই প্রত্যাশা করছি।

জাতির মেরুদন্ড রক্ষায় বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরন-খাদিজা ইসলাম সুকন্যা:“শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড”এ উক্তি অতি প্রাচীন সত্য ও সুন্দর কথা। দেহের অবিচ্ছেদ্য অংশ মেরুদণ্ডকে শক্ত করতে প্রয়োজন দেহে নিয়মিত পুষ্টির জোগান। ঠিক তেমনি ভাবে জাতির মেরুদণ্ড তথা শিক্ষাকে দৃঢ়ভাবে কার্যকরী ও অর্থবহ করতে প্রয়োজন সঠিকভাবে শিক্ষানীতি প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন। আর বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহুল আলোচিত এবারের বাজেট তথা চলতি করোনা কালের এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য বছরের আয়-ব্যয়ের হিসেবটা সবারই নজর কাড়া। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আয় ৩,৭৮,০০ কোটি টাকা ও ব্যয় ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা। তন্মদ্ধ্যে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ৮৫,৭৬০ কোটি টাকা। যা গতানুগতিক বাজেটের মতই বেশ সন্তোষজনক বলা চলে। কেন সন্তোষজনক এ প্রশ্নের জবাবের কারন দশানোর পূর্বে একটি কথা বলা অতীব জরুরি। জীবন নাকি জীবিকা আগে? অবশ্যই জীবন আগে। জীবন নিয়ে বেঁচে থাকলে জীবিকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতেই থাকবে। ঠিক তেমনি আমাদের রাষ্ট্র-দেহের মেরুদন্ড শিক্ষা যেমন ঠিক রাখা প্রয়োজন। ঠিক তেমনি চালিকা শক্তির আধার মস্তিষ্ক তুল্য অর্থনীতি সবল রাখা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আর এই করোনার মধ্যে সবল রাখা বলতে টিকিয়ে রাখা অতীব জরুরি। তাই এবারে দেশের সংকটাপন্ন সময়ে অর্থনীতিকভাবে টিকে থাকা ও স্বাস্থ্য খাতের তুলনায় এই বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ অনেকটাই সন্তোষজনক। টানা লকডাউনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ।এতে যে শিক্ষা ব্যবস্থা লাজুক হয়ে পড়েছে। তা পুনারুদ্ধারে এবারের শিক্ষা খাতে বরাদ্দের বেশি অংশ দেওয়া উচিত। গতবছরের পত্রপত্রিকাসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষা খাতের ওপর নানান সময়ে প্রকাশিত নানান ধরনের ঋণাত্মক সংবাদ বলে দেই যে গত বছরের বাজেটের সঠিক ব্যবহার হয়নি। সুতরাং এবারের বাজেট যদি দেশের প্রতিটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে খরচ করা হয়।রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও মুখোশধারী কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা যদি এ অর্থ কুক্ষিগত না করে স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগাই। তবে এবারের এই শিক্ষা খাতে বরাদ্দকৃত বাজেটেই শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ও সেই সাথে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে।

শিক্ষা ও গবেষণায় জাতিকে দুর্নীতি মুক্ত দেখতে চাই-মোঃ আসিফ: চলমান করোনা মহামারী পরিস্থিতির মাঝেই এবারের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা হয়ে গেল। কিন্তু তাতে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে পরিমাণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সেটা বিশ্বায়ন ও বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় তুলনামূলক কিছুটা কম হয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব ভিত্তিক গবেষণার সেক্টরে আরো বেশি গুরুত্ব দেয়া দরকার। আর এর জন্য অনেক পদক্ষেপ এবং বরাদ্দও দরকার। গত বছর শিক্ষাখাতে ৬১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল যা এবছর ৬৬ হাজার কোটি টাকা। টাকার অংক কিছুটা বাড়লেও পরিস্থিতি বিবেচনায় কমই হয়েছে। যা মোট বাজেটের ১১.৬৯ শতাংশ আর গত বছরও প্রায় একই ছিলো। সুতরাং বলা যায় এটি একটি গতানুগতিক বাজেট। তবে ইউনেস্কো ও শিক্ষাবিদদের দাবি অনুসারে মোট বাজেটের ১৫-২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখলে সেটা শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশি ভুমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। শিক্ষার মান উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। আর উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গবেষণা সেক্টরই তাদের উন্নয়নে অনেক ভুমিকা রাখছে। এই খাতে সরকারের যথোপযুক্ত বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বাজেট বরাদ্দ এবং সেটা বাস্তবায়ন করতে অনেক স্তর জড়িত। যেখানে প্রতিনিয়ত কিছুনা কিছু দুর্নীতি হয়েই আসছে আমাদের দেশে। সুতরাং বাজেট প্রনয়ন ও সেটা বাস্তবায়নের মধ্যে বিস্তর ফারাক দেখা যায়। আর সেখান থেকে উত্তরণের জন্য দুর্নীতিকে অবশ্যই রুখে দিতে সরকারের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পরিশেষে বলতে চাই, শিক্ষাখাতে বাজেট বাস্তবায়নে যারা জড়িত রয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ আওপনারা দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রতি অতি গুরুত্ব দিয়ে যথাযথভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করবেন বলে আশা রাখছি।

শিক্ষা খাতে বিশ্ব উপযোগী বরাদ্দ চাই-আরিয়ান রবিন সুমন: একটি জাতিকে অন্ধকার থেকে তুলে সভ্যতার চরম শিকড়ে পৌঁছানোর হাতিয়ারের নাম শিক্ষা। আর এ-ই হাতিয়ারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চত করতে চাই তেমনি দক্ষ জনবল। চলমান করোনা সংকটেই বাংলাদেশ সরকারের ৪৯ তম বাজেট পেশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থ-বছরের মোট প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দ ধরা হয় ৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। তারমধ্যে শিক্ষাখাতে ৬৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যেখানে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ মোট ব্যয়ের ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং জিডিপির ২ দশমিক ০৯ শতাংশ। চলতি বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৬১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ। গত বাজেটের তুলনায় এবার মোট বৃদ্ধি হয়েছে ০.০১ শতাংশ। যা চাহিদার তুলনায় খুবই নগন্য। এদিকে ইউনেস্কো ও শিক্ষাবিদরা শিক্ষাখাতে মোট জিপিডির ৬ শতাংশ ও মোট বাজেটের ১৫-২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা উচিত বলে পরামর্শ দিয়ে আসছে। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এ খাতে বরাদ্দ প্রায় ২ শতাংশই থেকে গেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় কম। এর মধ্যেই ববরাদ্দকৃত অর্থের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতায় ব্যয় হয়। যেটুকু বরাদ্দ বাকি থাকে সেটা দিয়ে এ-ই বৈশ্বায়নের যুগে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলাটা খুবই কষ্টসাধ্য। অন্য দিকে কারিগরী শিক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেয়ায় পড়াশোনা শেষে তৈরী হচ্ছে অর্ধ বেকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে খাতা কলমে প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলেও নেই যথেষ্ট প্রাকটিক্যাল চর্চা। তাই শুধু শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ দেশ উপযোগী করে নয়, বরাদ্দ করতে হবে বিশ্ব উপযোগী করে।#

পছন্দের আরো পোস্ট