নারীদের চেয়ে পুরুষদের আত্নহত্যার প্রবণতা বেশী

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ।

সাম্প্রতিক সময়ে আত্নহত্যা সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। জাতীয়- আন্তর্জাতিক ও তৃণমূলের মানুষ নানাবিধ ও সমস্যার কারণে আত্মঘাতী হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তার বা চিকিৎসকগন আত্নহত্যার চেষ্টা করাকে মানসিক অবসাদ জনিত গুরুতর উপসর্গ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। প্রতিবছর প্রায় দশলক্ষ মানুষ আত্নহত্যা করে।

 

WHO এর মতে, প্রতিবছর বিশ্বে যে সব কারনে মানুষের মৃত্যু ঘটে, তারমধ্যে ত্রয়োদশ কারণ। কিশোর-কিশোরী আর যাদের বয়স ৩৫ বছরের নিচে, তাঁদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হচ্ছে আত্নহত্যা। নারীদের তুলনায় পুরুষদের আত্নহত্যার প্রবণতা বেশী। বাংলাদেশে কিশোর-কিশেরীদের মাঝে আত্মহত্যার মাত্রা বেশী। বাচ্চারা সামান্য জিনিস না পাওয়ার কারণে আত্মঘাতী হয়ে যাচ্ছে।

 

প্রতিবছর পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের পর দেখা যায়, GPA 5:00 না পাওয়ার কারণে সুইসাইড করে নিচ্ছে। এমনকি ভালো পাবলিক ভার্সিটতে চান্স না পাওয়ায় কারণে ও আত্মহত্যার খবর শুনা যায়। মানুষ যখন নিজের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। মানসিক অবসাদে ভুগে। জীবনে চূড়ান্ত পর্যায়ে হতাশাগ্রস্হ হয়। তখন ই সিদ্ধান্ত নেয়, আত্নঘাতী হওয়ার। যা মোটে ও কাম্য নয়। কিছুক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয় যে, পারিবারিক কলহের কারণে ও মানুষ আত্মঘাতী হয়ে উঠে।

নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে জানা যায় যে, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে ৮৭% থেকে ৯৮% আত্মহত্যা সংঘটিত হয়। মনোবিদগন বলেন যে, যখন ব্যাক্তি নিজেকে হত্যা করার পরিকল্পনা থাকে, তা জানা মাত্রই সংশ্লিষ্টদের উচিত হবে কাউকে জানানো। আমি মনে করি, নিজেকে ভালোবাসা, আত্নহত্যা থেকে বাঁচার অন্যতম হাঁতিয়ার।#

পছন্দের আরো পোস্ট