৭১ এর যুদ্ধ শিশু অবিদিত ইতিহাস শীর্ষক সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৭১ মিলনায়তনে আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ‘৭১-এর যুদ্ধ শিশু: অবিদিত ইতিহাস’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডা প্রবাসী গবেষক ও লেখক মোস্তফা চৌধুরী।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব উল মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ মমিনুল হক মজুমদার, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও অ্যালাইড হেলথ সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ ইসমাইল মোস্তফা, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব ও স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান।

প্রধান আলোচক মোস্তফা চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি, জাতীয় গণগ্রন্থাগার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বিভিন্ন সংগ্রহশালায় মুক্তিযুদ্ধ কর্নার রয়েছে। কিন্তু কোথাও যুদ্ধশিশুদের সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়টি তাকে ব্যথিত করে বলে জানান মোস্তফা চৌধুরী। তাই তিনি যুদ্ধশিশুদের নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

দীর্ঘ গবেষণার পর মোস্তফা চৌধুরী ‘৭১-এর যুদ্ধ শিশু: অবিদিত ইতিহাস’ নামে একটি বই লেখেন। বইটি বাংলা ইংরেজি দুই ভাষাতেই প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশের যুদ্ধশিশুদেরকে নিয়ে বইটি লেখা হয়েছে। প্রথমে এটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত হয়। এখন বাংলাদেশেও পাওয়া যায়।
মোস্তফা চৌধুরী আরও বলেন, শুধু কানাডা নয়, সারা বিশ্বেই ৭১-এর যুদ্ধশিশু রয়েছেন। তাদের সঠিক ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা উচিত। বাংলাদেশেও অনেক যুদ্ধশিশু রয়েছেন। কিন্তু তারা সামাজিক কারণে মুখ খোলেন না। এই ইতিহাস রক্ষার্থে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মোস্তফা চৌধুরী।

সেমিনারটি শেষ হয় প্রশ্ন-উত্তর পর্বের মাধ্যমে। শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধশিশু সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেন মোস্তফা চৌধুরী।

পছন্দের আরো পোস্ট