যাত্রা শুরু করলো ড্যাফোডিল এঞ্জেলস ডে কেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বর্তমান সমাজে কর্মজীবী মায়েদের একটি বিশেষ দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে তাদের সন্তানদের উপযুক্ত যত্ন নেওয়া বিশেষ করে ৯-৫ টা অফিসের সময়টুকু সন্তানকে তারা কোথায়, কার কাছে নিরাপদে রেখে যাবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই তাদের। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারনেই বাসায় মোটামুটি ভালো একটা মাইনে দিয়ে শিশু সন্তানের দেখাশুনার ব্যবস্থা করা সব অভিভাবকদের পক্ষে সম্ভবপর হয় না । শুধু মাত্র এ কারনেই কর্মক্ষেত্রে একজন মা, সার্বিক ভাবে তার সবটুকু চেষ্টা দিয়েও কাজে মনোযোগী হতে পারে না।

সন্তানকে ঘিরে প্রতিটি বাবা মায়ের চাওয়া পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু একটাই। তাঁর সন্তান হবে সবার থেকে সেরা। সেই লক্ষ্যে অত্যন্ত সচেতন সেইসব কর্মজীবী মায়েদের কাছে নিরাপদ ও বিশ্বস্থতার স্থান করে নিতে পেরেছে ড্যাফোডিল পরিবারের আরেকটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান “ড্যাফোডিল এঞ্জেলস ডে কেয়ার”। মায়েদের মনের জোড় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে এ “ড্যাফোডিল এঞ্জেলস ডে কেয়ার”। নিশ্চিত করেছে তাদের সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ এবং পারিবারিক পরিবেশ, যেখান থেকে বাচ্চারা প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করবে এবার।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করলো সেইসব কর্মজীবী মায়েদের কথা মাথায় রেখে গড়ে তোলা “ড্যাফোডিল এঞ্জেলস ডে কেয়ার”। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল পরিবার ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান, ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, প্রক্যোশল অনুষদের সহযোগী ডীন প্রফেসর ড. এ কে এম ফজলুল হক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের অধ্যক্ষ লেঃ কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম (অবঃ) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ ড. মোঃ মাহামুদুল হাসান।

বক্তারা বলেন, আমাদের ভেবে দেখার সময় এসে গেছে। একটু যদি ভেবে দেখি তাহলেই বুঝতে পারব ঠিক কতখানি প্রোডাক্টিভ সময় সন্তানরা তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে পাচ্ছে, দিনের কতটুকু সময় শিশু তার মা বাবার সাথে সময় কাটাতে পারছে, যেখানে একটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা এবং সামাজিক শিক্ষার ভীত গড়েই উঠে তার পরিবার থেকে, মায়ের কাছ থেকে!!

তারা বলেন, খাওয়া, ঘুম, গোসল শিশুর যযত্ন এর বাইরেও একটা বিশাল জ্ঞানের জগৎ রয়েছে। মাত্র ছয় মাস বয়স থেকে সেই জগতে বিচরণ শুরু করে শিশুরা। কারন, ছয় থেকে চব্বিশ মাস বয়সের মধ্যেই একটি শিশুর প্রায় ৮০% ব্রেইন ডেভেলপ হয়ে যায়। তাই সকল বাবা মায়েদের উচিত এই সময়ের মধ্যেই তার শিশুর জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা যেখান থেকে সে শিখতে পারবে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজেকে কিভাবে নিরাপদ রাখতে হয় ! কিভাবে সমাজে প্রতিনিধিত্ব করতে হয়, কেয়ারিং শেয়ারিং এর জায়গাটা যেন তাদের দৃঢ় হয়। সবাইকে সাথে নিয়ে যে ভালো থাকতে হবে এই উপলব্ধি যেন গড়ে উঠে তখন থেকেই। কথা সুন্দরভাবে বলতে পারা, টেবিল ম্যানারস ইত্যাদি সব কিছু শিশু শিখবে সেই পরিবেশ থেকে।

পছন্দের আরো পোস্ট