ইবি কর্মকর্তা সমিতির কর্মবিরতি সাময়িকভাবে স্থগিত

ইবি প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের ১৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রশাসন ভবনের সামনে কর্মবিরতি পালন করে আসছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিশ্রুতিতে আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) পশ্চমদিনের কর্মসূচি শেষে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর্মবিরতি সাময়িক ভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

তবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি সিন্ডিকেট ও পোষ্য কোটায় ভর্তি সংক্রান্ত সভার তারিখ ঘোষণাসহ ১৬ দফার মধ্যে সিন্ডিকেট ব্যতিত যে সকল দাবি বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো বাস্তবায়ন করা হলে প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত সিন্ডিকেটের দিন পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

পশ্চমদিনে কর্মবিরতি চলাকালে সমিতির সভাপতি মোঃ শামছুল ইসলাম জোহার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মীর মোঃ মোর্শেদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপ-রেজিস্ট্রার আব্দুর রশিদ বকুল, দেওয়ান টিপু সুলতান, মোঃ ইব্রাহিম খলিল, সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল লতিফ, সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুস সালাম সেলিম ও বাবুল হোসেন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তৃতায় মোঃ শামছুল ইসলাম জোহা বলেন, আমাদের সর্বোচ্চ অভিভাবক ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের আহবানে আমরা সমিতির নেতৃবৃন্দ ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর সাথে মতবিনিময় করি। সেখানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার স্যার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সমিতির একটি প্রতিনিধি দল তাঁদের সাথে মতবিনিময় করেন। তাঁরা আমাদের দাবি পুরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় আজকের এ সভা থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর্মবিরতি সাময়িক ভাবে স্থগিত করা হলো।

তবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি সিন্ডিকেট ও পোষ্য কোটায় ভর্তি সংক্রান্ত সভার তারিখ ঘোষণাসহ ১৬ দফার মধ্যে সিন্ডিকেট ব্যতিত যে সকল দাবি বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো বাস্তবায়ন করা হলে প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত সিন্ডিকেটের দিন পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখা হবে। অন্যথায় ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও কর্মবিরতির কর্মসূচি চলবে।

জোহা আরোও বলেন, এ কর্মসূচি চলাকালে আমাদের কর্মকর্তা ভাইদের বক্তব্যে যদি কোন ব্যক্তি বা মহল কোন প্রকার কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্য সমিতির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

পছন্দের আরো পোস্ট