ইবিতে বসন্ত উৎসবের শোভাযাত্রা,আলোচনা অনুষ্ঠান

ইবি প্রতিনিধি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী) বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঋতু বৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ। আমাদের এখানে বারটি মাস, ছয়টি ঋতু। আমরা যারা গ্রামে বেড়ে উঠেছি তারা কিন্তু মাটির গন্ধ চিনতে পারি। ঋতু বৈচিত্র আমাদেরকে লেখক বানিয়েছে, কবি বানিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ঋতু বৈচিত্র হারাতে দেওয়া যাবে না। আমাদেরকে এজন্য প্রচুর পরিমাণে বনায়ন ও সবুজায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক শৈত্যপ্রবাহ যতটা না ক্ষতিকর তার চেয়েও বেশি ক্ষতিকর মানসিক শৈত্যপ্রবাহ। মানসিক শৈত্যপ্রবাহ যদি আমাদের কাবু করে ফেলে তাহলে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবোনা।

ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, প্রাকৃতিক বসন্ত আমরা হারাতে রাজি নই। আর মানসিক বসন্ত আমাদের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয়। আজ শনিবার দুপুরে বাংলা বিভাগের আয়োজনে বাংলা মঞ্চে বসন্ত উৎসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. রাশিদ আসকারী এসব কথা বলেন। বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাঃ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, বসন্ত মূলত এমন একটি প্রতীক যা সুখ শান্তি নিয়ে আসে। পুরাতন সব কিছুকে মারিয়ে বসন্ত আবির্ভূত হয় অত্যন্ত আনন্দের মহিমায়। একটি চমৎকার আবহাওয়ার মধ্যে একটি সুখকর অবস্থায় নিয়ে আসে। শীত কঠিন সময় এবং বসন্ত সুসময়ে প্রতীক।

তিনি বলেন, আমরা এমন এক বসন্ত তৈরি করতে চাই সুসময়ের মধ্য দিয়ে যেতে চাই যা সব অপশক্তিকে পরাজিত করে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অপর বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, বসন্তে প্রকৃতির মধ্যে একটা পরিবর্তন ঘটে যায়। প্রকৃতি একটি সুন্দর রূপ ধারণ করে। ফাগুন তাই আমাদের কাছে এত সুন্দর। আমরা বাস করি সুন্দর এর মধ্যে। আমাদের ঘিরে থাকে সুন্দর। আশা করি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য সুন্দরের দিকে ধাবিত হবে। বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. রবিউল হোসেন।

আলোচনা সভার পূর্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা মঞ্চে সমবেত হয়। সর্বশেষে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পছন্দের আরো পোস্ট