শেষ হলো ড্যাফোডিল আইমুন

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় ডিআইইউ মডেল ইউনাইটেড নেশনস্ এসোসিয়েশন (ডিআইইউ মুনা) এর আয়োজনে শেষ হয়েছে চার দিন ধরে অনুষ্ঠিত ‘ড্যাফোডিলআইমুন-২০২০’। গত ৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা মিলনায়তনে এ সম্মেলনের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব।

এছাড়া অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউএনএফপিএর প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান সজল, রাজবাড়ি পাবলিশার্সের সত্ত্বাধিকারী আব্দুল বারিক, ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও ড্যাফোডিলআইমুন-২০২০-এর আহ্বায়ক মো. রাফি আল মাহমুদ প্রমুখ।

‘যুব অংশগ্রহণ-২০৩০ এর মাধ্যমে সুশাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ’ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে গত ২ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল এ সম্মেলন। এতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩৫০জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। সম্মেলনের সহযোগী অংশীদার হিসেবে ছিল ইউনাইটেড নেশনস বাংলাদেশ এবং নলেজ পার্টনার হিসেবে ছিল ইউনাইটেড নেশনস সেন্টার, ঢাকা। অর্গানাইজিং পার্টনার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বেস্ট ডেলিগেটস, আউটস্ট্যান্ডিং ডেলিগেটস ও স্পেশাল মেনশন ক্যাটাগরিতে ২৪জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব। এ সময় তিনি বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম সেরা একটি প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে মডেল ইউনাইটেড নেশনস। এটি সারা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চার দিনের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের ছায়া অধিবেশনের আদলে। এখানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যেভাবে জাতিসংঘের সত্যিকার অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধত্ব করেন। এবারের এই অধিবেশনটি দেশের সবচেয়ে বড় আবাসিক মডেল ইউএন কনফারেন্স।

পছন্দের আরো পোস্ট