ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন সমাপ্ত

ঢাবি প্রতিনিধিঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন গত ২৭ জুন ২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে শেষ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীন এবং সিনেট সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

অধিবেশনে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ৮১০ কোটি ৪২ লাখ টাকার রাজস্ব ব্যয় সংবলিত প্রস্তাবিত বাজেট এবং ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ৭৬১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সংশোধিত বাজেট অনুমোদন করা হয়।

সিনেট চেয়ারম্যান ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সমাপনী ভাষণে বলেন, সিনেটের এই বার্ষিক অধিবেশনে সিনেট সদস্যদের উত্থাপিত সকল প্রস্তাব ও মতামত বিবেচনায় নেওয়া হবে। তাদের বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মপ্রয়াস গ্রহণ করা হবে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সংশ্লিষ্ট সকলের বিশেষ করে সিনেট সদস্যদের সাহায্য-সহযোগিতা কামনা করেন।

সিনেট সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ অধ্যাদেশ সমুন্নত রাখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, অনলাইনে শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা প্রকাশ, তরুণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উদ্যাপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদ্যাপন, শতাব্দি টাওয়ার নির্মাণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, সেশন বেনিফিট প্রদান, শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি, সিনেটের শীতকালীন অধিবেশন ডাকা এবং মুজিববর্ষে সিনেটের বিশেষ অধিবেশন ডাকার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। দীর্ঘ প্রায় তিন দশক পর ১০৫-সদস্য বিশিষ্ট সিনেটে ডাকসু’র পাঁচ জন সিনেট প্রতিনিধি নিয়ে এবার সিনেটের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন হওয়ায় তারা সকলেই সন্তোষ প্রকাশ করেন। সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা উপাচার্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

সিনেট সদস্যরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে সুলিখিত ও সুপঠিত অভিভাষণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তারা একটি সুন্দর বাজেট প্রদানের জন্য কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীনকেও ধন্যবাদ জানান।

দু’দিন ব্যাপী সিনেটের এই বার্ষিক অধিবেশনে উপাচার্যের অভিভাষণ ও কোষাধ্যক্ষের বাজেট বক্তব্যের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, মোঃ আবদুস সোবহান মিয়া এমপি, নিজাম চৌধুরী, অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান, ডাকসু’র জিএস গোলাম রব্বানী, এ.আর.এম. মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান, অধ্যাপক মোঃ ফজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মোঃ আতাউর রহমান প্রধান, অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস ছামাদ, ডা. মোঃ আব্দুল আজিজ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, অধ্যাপক ড. মোঃ মজিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, এম. ফরিদ উদ্দিন, এস এম রেজাউল করিম, অধ্যাপক ড. মুবিনা খোন্দকার, ড. মোঃ লিয়াকত হোসেন মোড়ল, অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন, ডাকসু’র ভিপি মো. নুরুল হক নুর, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, ডা. এম. ইকবাল আর্সলান, ডাকসু’র সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, রামেন্দু (কৃষ্ণ) মজুমদার, মোঃ নাসির উদ্দিন, অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল বারী, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, এ. বি. এম. বদরুদ্দোজা, অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল আজিজ, অধ্যাপক ড. মোঃ আফতাব আলী শেখ, অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম, মোঃ আলাউদ্দিন, ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মোঃ রহমত উল্লাহ, রঞ্জিত কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন, অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া, এস. এম. বাহালুল মজনুন এবং অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

পছন্দের আরো পোস্ট