মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে জাবি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৪৪৫ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। আজ একনেক সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। এ প্রকল্পের অধীনে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বহুতল বিশিষ্ট ৪১টি সুপরিসর স্থাপনা নির্মিত হবে। আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।

এই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোগত দিকের আমুল পরিবর্তন সাধিত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ‘মডেল’ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রকল্প অনুমোদন দানের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে আমুল বদলে দেয়ার এ প্রকল্পের অনুমোদন প্রাপ্তিতে আজ উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সন্ধ্যে ছয়টায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি, ছাত্রনেতা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিগণ উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া উপাচার্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আলম, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ হানিফ আলী, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হেল কাফী, প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশেদা আখতার, অফিসার সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান, কর্মচারি সমিতির সভাপতি অমর চাঁদ মন্ডল, কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি আবদুর রহিম, ছাত্রলীগের জাবি শাখার সভাপতি জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল, ছাত্র ইউনিনের সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য তাঁর ভাষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দক্ষ ও মানবতাবাদী মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এই প্রকল্পটি সেই আদলেই তৈরি করা হয়েছে। উপাচার্য তাঁর ভাষণে নির্ধারিত সময়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে মেধা, মননশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার সাথে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান।

পছন্দের আরো পোস্ট