“কবিতাই যার ঘর সংসার “

কবিতাকে ভালোবেসে কবিতা লিখে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে চান,কবিতার লেখা শুরু ছোট বেলা থেকেই, নিজ চেষ্টা, প্রতিভা আর ছন্দের আবেগময়ী দক্ষতা দিয়ে কবিতা লিখে কবি হিসেবে ইতিমধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে, বলছি কবি শাহ আলম সানির কথা।

কবি শাহ আলম সানি ১৮৮৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার সখিপুরে উপজেলার বড় চওনা গ্রামের গায়েন মোড়ে জন্মগ্রহণ করেন। মা বাবা আর এক বোন আর ২ ভাই এর মাঝে তিনিই সবার বড়। মাধ্যমিক পাশ করেছেন বড় চওনা উচ্চ বিদ্যলয় থেকে।এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন বড়চওনা কতুবপুর কলেজে থেকে। পারিবারিক অভাব অনটনের কারনে উচ্চতর ডিগ্রি নিতেও পারিনি। তবে মনের তীব্র ইচ্ছা শক্তির কারনে কবিতাকে ভালোবেসে কবিতা লিখে চলেছেন।

তিনি মূলত কবি হলেও তার লেখা “এক বুক জ্বালা” উপন্যাস ২০০৬ সালে একতা প্রকাশনী এর ব্যানারে প্রকাশিত হয়। তবে ত্রিমাত্রিক সাহিত্য পত্রিকা ‘খেয়া’ কবি শাহ আলম সানিকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে। তার লেখা “ভালোবাসার আত্মসমর্পণ” কবিতার বই ২০১৭ সালে বই জাতীয় বই মেলায় শব্দশিল্প প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করা হয় এবং বইটি পাঠকে হৃদয়ের মনি কোঠায় জায়গা করে নেয়।

কবিতার ভাষায় কবি বলেন,কবিতার মাঝেই আমার সুখ নিহীত, মরণের পর জন্ম নিলেও যেন কবি হয়ে জন্মাই।কবিতা না লিখলে যেন বিবেকের কাছে দোষী হয়ে বেচে থাকবো। কবিতার মধ্য দিয়েই আমি আমি সমাজের উঁচু নিচুর বৈষম্য দূর করতে চাই।যেখানে থাকবে না হিংসা,লোভ, অপরাধ এমন সমাজ গড়ার লক্ষেই কবিতা লিখা।

কবি শাহ আলম সানি কবিতা লেখার পাশাপাশি লিখেন গল্প,উপন্যাস এবং গান।২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন এর গীতিকার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। কবিতার প্রেমে পরে সংসার জীবন শুরু করা হয়নি এই ছন্নছাড়া কবির।যতটা জানা যায় প্রিয়জন হারানোর বেদনা ও অন্তঃজ্বালায় এখনো দগ্ধ তিনি। মানুষকে বই পড়ার আহব্বান জানান তিনি,কাজ করছেন নিজ এলাকায় পাঠাগার স্থাপনের জন্য।

যাদের লেখায় তিনি অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকেন এদের তালিকায় ,মহাদেব সাহা,দালান জাহান,মোজ্বামেল হক সজল,রকিবুল আমিন।

কবির প্রিয় মানুষদের তালিকায় ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, সাংবাদিক শাহ্‌ আলম সাজু,সংগীত শিল্পী বেলাল খান,কবি শাহ আলম হতে চান মা মাটি মানুষের কবি।দুদিনের ধুলির ধরায় যতদিন বেঁচে থাকবেন কবিতার রাজ্যে কবি হয়ে বেঁচে থাকতে চান।

পছন্দের আরো পোস্ট