কর্দমাক্ত রাস্তায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া-খাউলিয়া সীমান্তবর্তী ২ কি.মি. রাস্তার কর্দমাক্ততার জন্য তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই রাস্তার কাদাঁয় শিক্ষার্থী সহ এলাকার জনসাধারণ চলাচল বন্ধ হওয়ায় উপক্রম হয়।

নিশানবাড়িয়া-খাউলিয়া সীমান্তবর্তী এ রাস্তাটি নিশানবাড়িয়ার রাস্তা নামে পরিচিত। এ জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সৃষ্টি পরবর্তী কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ব্যবস্থা করা হয়নি ইট সোলিং কিংবা কাপেটিংয়ের । দুই ইউনিয়নের টানা পোড়নের এ রাস্তাটি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এ রাস্তা দিয়ে নিশানবাড়িয়া তাছেন স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিশানবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা, খাউলিয়া-নিশানবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীরা এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কাঁদা-মাটি ভেঙ্গে প্রতিষ্ঠানে যাতায়ত করে।

বিশেষ করে শিশুদের কাঁধে ব্যাগ, হাতে স্যান্ডেল আর কাঁদা থেকে স্যালোয়ার সামলাতে হিমহিম খেতে হয়। অধিকাংশ অভিভাবক এ বৃষ্টি মৌসুমে তাদের শিশুদের বিদ্যালয় পাঠাতে চাচ্ছেনা। যার কারনে বৃষ্টি মৌসুমে এ তিনটি বিদ্যালয় শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার কমে যায়। বৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীদের ছাতা, বই, ব্যাগ সামলানো কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে।

১৭০ নং নিশারবাড়িয়া তাছেন স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন মিয়া বলেন, একদিকে রাস্তার কাঁদা অপরদিকে তার বিদ্যালয় প্রাঙ্গন বৃষ্টি মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও কর্দমাক্ততার জন্য শিশু শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন জানান, এ রাস্তার কাদাঁ মাটি ভেঙ্গে হাতে স্যান্ডেল আর কাদাঁ থেকে প্যান্ট সামলিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনে যেতে হয়েছে। নিশানবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শহিদুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে মোটর গাড়ি, ভ্যান সহ কোন যানবাহন চলতে না পারায় শিক্ষক ,শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দুর্দশার শিকার হতে হয়।

পছন্দের আরো পোস্ট