তালহা স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও ড্যাফোডিলের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি

সাহসিকতাপূর্ণ সাংবাদিকতাকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ‘খন্দকার আবু তালহা স্মৃতি সাহসীকতা পুরস্কার’ প্রবর্তন করেছে খন্দকার আবু তালহা স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এ উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সভাকক্ষে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সমঝোতা চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. একেএম ফজলুল হক ও খন্দকার আবু তালহা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তালহার বাবা আবু রিয়াজ মো. নূরুদ্দিন খন্দকার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ মো. হামিদুল হক খান, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মমিনুল হক মজুমদার, পরিচালক (স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স) সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান সেলিম আহমেদ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. তৌহিদ ভূইয়া ও উর্ধ্বতন সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আনোয়ার হাবিব কাজল প্রমুখ।

চুক্তি অনুযায়ী, সাংবাদিকতায় সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য প্রতিবছর একজন সাংবাদিককে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে। খ্যাতিমান জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও দেশ বরেণ্য শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত একটি জুরিবোর্ড পুরস্কারের জন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া থেকে একজন যোগ্য সাংবাদিকের নাম প্রস্তাব করবেন।

উল্লেখ্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার আবু তালহা গত বছরের ৮ অক্টোবর তারিখে রাজধানীর টিকাটুলির কে এম দাস লেনে ভোরবেলা ছিনতাইকারীর কবল থেকে এক স্কুল শিক্ষককে বাঁচাতে গিয়ে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

তালহার বাবা আবু রিয়াজ মো. নূরুদ্দিন খন্দকার পরলোকগত সন্তানের স্মৃতি রক্ষার্তে ’খন্দকার আবু তালহা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন।

এই প্রতিষ্ঠান এখন থেকে প্রতি বছর সাহসীকতাপূর্ন রিপোর্টিং ও প্রতিবেদনের জন্য সাংবাদিকদেরকে ‘খন্দকার আবু তালহা স্মৃতি সাহসীকতা পুরস্কার’ প্রদান করবে। এরআগে, বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের জন্য ‘ফারাজ হোসেন সাহসিকতা পুরস্কার-২০১৭’ অর্জন করেছে খন্দকার আবু তালহা।

পছন্দের আরো পোস্ট