খুবিতে গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা

গতকাল (১৭ জুলাই) মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ও পিএইচডি গবেষকদের অর্ধশতাধিক গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুসের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রোকসানা তারান্নুম উপস্থিত ছিলেন। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের প্রশংসা করে আরও বেশি সংখ্যায় গবেষণাকর্ম পরিচালনায় এগিয়ে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ছাড়াও শিক্ষামন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় গবেষণায় উৎসাহী করে তাতে অর্থায়নও করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামনে এখন গবেষণায় সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি জানান অন্যান্য প্রচলিত গবেষণার পাশাপাশি মর্যাদাপূর্ণ বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ চালু রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই প্রধানমন্ত্রী গবেষণা ফেলোশিপও চালু করা হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি এমন সব গবেষণার বিষয় বেছে নেওয়ার আহবান জানান যাতে দেশ ও জনগণ উপকৃত হয়। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এসব গবেষণালব্ধ ফলাফল কাজে লাগানো যায়। রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এই গবেষণা কর্মে ফেলোশিপ প্রদান করায় ধন্যবাদ জানিয়ে গবেষণার সংখ্যা ও অর্থায়নের পরিমাণ বৃদ্ধির অনুরোধ জানান এবং সফররত উপসচিবকে ধন্যবাদ জানান।

সভায় কয়েকজন শিক্ষার্থী গবেষক তাদের গবেষণার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্ভুত কয়েকটি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ সময় উপরেজিস্ট্রার প্রশাসন এস এম আবু নাসের ফারুক ও মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা একেএম মমদেল হোসেনসহ অর্ধশতাধিক মার্স্টাসের শিক্ষার্থী গবেষক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপসচিব উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপ বিষয়ে উপাচার্যকে অবহিত করেন। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নানামুখী গবেষণা কার্যক্রমের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপযুক্ত হওয়ায় গবেষণা কর্মের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপ বৃদ্ধির উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

পছন্দের আরো পোস্ট