মোরেলগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় স্কুল ছাত্র ও পিতা-মাতা সহ আহত-৪

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে নিশানবাড়িয়া গ্রামে সন্ত্রাসী ধানসাগর পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্র হৃদয় (১৫) ও তার পিতা নওরাজ হাওলাদার(৬২) সহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। অন্যান্য আহতরা হল হৃদয়ের মা রুনা বেগম (৩৫) ও মহিদ হাওলাদার (৫৪)।

গুরতর আহত অবস্থায় হৃদয়, নওরাজ হাওলাদার ও মহিদ হাওলাদার কে মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্র হৃদয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মোরেলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ঘটনাদিন বুধবার দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে একই গ্রামের মৃত.আব্দুল হাকিম হাওলাদারের পুত্র আউয়াল হাওলাদারের নেতৃত্বে ১২/১৩ জন দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে নওরাজ হাওলাদারের বসত বাড়ির সামনের রাস্তায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার পথরোধ করে। এসময় দুর্বৃত্তরা নওরাজ হাওলাদারকে অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ভয়ভীতি প্রদর্শণকরতঃ জীবন নাশের উদ্যোশে মারপিট ও কুপিয়ে জখম করে।

তার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশী মহিদ হাওলাদার , পুত্র স্কুল ছাত্র হৃদয় ও তার মা এগিয়ে আসতে তাদেরকেও কুপিয়ে মারপিট করে আহত করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের প্রথমে মোরেলগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাপাতালে প্রেরণ করা হয়। পূর্ব শত্রুতার জের হিসেবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রুনা বেগম বাদি হয়ে আউয়াল হাওলাদার, পান্না হাওলাদার, চুন্নু হাওলাদার, নাইম সরদার, আলআমিন সহ ৯ জন ও অজ্হাত ৩/৪জন কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামীপক্ষ নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে রুনা বেগম জানান। মোরেলগঞ্জ থানা অফিসার ইন চার্জ রাশেদুল আলম জানান, বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

পছন্দের আরো পোস্ট