মৃত্যুও ড. জোহাকে স্পর্শ করতে পারে নি

‘সিধে মেরুদন্ড নিয়ে জীবন-যাপন করে গেছেন ড. জোহা। কেউ না কেউ জীবনের কোনো পর্যায়ে হেরে যায়। কিন্তু তিনি ছিলেন কালজয়ী। জীবনে কোথাও হারেন নি। এমনকি মৃত্যুও তাঁকে স্পর্শ করতে পারে নি।’ বলেছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক।

রোববার বিকেল দিকে শহীদ শামসুজ্জোহা হল মুক্তমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলের একটি ছবি রয়েছে। আর সেই ছবির প্রথম সারিতে ড. জোহাকে দেখা যায়। তিনি প্রকৃতপক্ষে স¦াধীনতার পক্ষে লড়েছেন। তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন স্বাধীনতার জন্য। আর সবথেকে বড় কারণ ছিলো তিনি তার ছাত্রের মৃত্যু হতে দিবেন না। ’

শহীদ শামসুজ্জোহা হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. গোলাম ছাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা।

Post MIddle

এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘ড. জোহা শুধু হাস্যজ্জ্বল শিক্ষকই ছিলেন না। তিনি একজন ভালো খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সাল থেকে ভিক্টোরিয়া ক্লাবের একজন সদস্য ছিলেন।’

জোহা হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. সোহেল হাসানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আইন অনুষদের ডীন্ অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান, জোহা হলের গৃহ শিক্ষক ড. রঞ্জন কুমার বর্মণ, ড. ফজলুল হকসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলায়ত করেন হাফেজ মাহমুদ এবং শেষে ড. জোহার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জ্বোলন ও ড. জোহার ওপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র দাবানল দেখানো হয়।

//স

পছন্দের আরো পোস্ট