ইবিতে আলোড়িত ৩০ এর ব্যাচ ডে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলার এক প্লাটফর্ম “আলোড়িত ৩০“। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে যতগুলো ব্যাচ রয়েছে তার মধ্য অন্যতম হিসেবে নিজেকে পরিচয় করিয়েছে আলোড়িত ৩০। আজ ২৩ই জানুয়ারি ১৫-১৬ সেশনের ২য় বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে আলোড়িত ৩০ এর উদ্দ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে র্যালি, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে সন্ধ্যায় ফানুশ উৎসবেরও আয়োজন রয়েছে।
২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ২৪ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে ইতোমধ্যেই নিজেদের কর্মকান্ড দ্বারা সবার মন জয় করেছে আলোড়িত ৩০ এর সদস্যগণ। আলোড়িত ৩০ তাদের যোগ্যতার মাধ্যমে সময়ের সবথেকে প্রগতিশীল ব্যাচ হিসেবে গৌরবান্বিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আর থেমে নেই তারা। তাদের আলোয় আলোকিত হয়েছে বহু মানুষ।
কখনও মুমূর্ষু রোগীর রক্তের প্রয়োজনে, কখনও অসুস্থ শিক্ষার্থীর সাহায্যে আবার কখনও দরিদ্র ও পথ শিশুদের মাঝে শিক্ষা এবং বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণসহ নানা কল্যাণমূলক কাজে মানুষের পাশে আছে আলোড়িত ৩০ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ।
শুধু সমাজ বা মানবসেবাতেই নয়, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বরে রাস্তায় রাস্তায় আল্পনা, পহেলা বৈশাখ ও ক্যাম্পাসের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালিসহ উৎসবের জমকালো আয়োজনেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলছে আলোড়িত ৩০। অতিসম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আলামীনের পাশে দাঁড়িয়ে আরেকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে আলোড়িত’৩০ এর সদস্যরা। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই আবদ্ধ নেই আলোড়িত’৩০ এর কার্যক্রম। তাদের আলো পৌঁছে গেছে প্রান্তিক জনপদেও।
আলোড়িত’৩০ এর প্রত্যেকটি সদস্যই যেনো এক একটি আলোকিত প্রদীপ শিখা। আলোড়িত-৩০-এর এই এগিয়ে চলা উদ্দীপনা জাগিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মাঝে। তাদের আলোয় আলোকিত এখন পুরো ১৭৫ একর এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল। তাদের আশা এ আলো তারা ছড়িয়ে দিবে পুরো বাংলাদেশ তথা সারাবিশ্বে।
ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজ রায়হান বলেন,” বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে যে দূরত্ব, সেইটা আমাদের এই কমিউনিটির মাধ্যমে দূর হয়েছে বলে আমি মনে করি, বিশেষ করে আমাদের ২০১৫-১৬ সেশনে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ব্যাচ একই ভাবে যদি এই কালচার ধরে রাখতে পারে তাহলে হয়তো বিশ্ববিদ্যালইয়ের পরিবেশ আরও নিরাপদ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল হয়ে উঠবে”।
বায়োটেকনোলজি বিভাগের সিফাত বিন সাঈদ বলেন, ” আলোড়িত’৩০ গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ এর সকল শিক্ষার্থী এর মাঝে সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব ও পরিচিতি গড়ে তোলা। আজ আমরা সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে পুরোপুরি সফল। ইবিতে সেশন ভিত্তিক আলোড়িত’৩০ ই প্রথম সংগঠন। “
নাবিলা আফরিদা রাকা বলেন, “আলোড়িত’৩০ ৷ একটা পরিপূর্ণ ভালবাসা,একটা ছায়া যার তলে ২৫ টি বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের সব শিক্ষার্থীরা একত্রিত হতে পেরেছে ৷ এটা প্রত্যেকের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্য পূর্ণ সম্পর্ক তৈরির চাবিকাঠি৷ আলোড়িত’৩০ ভালবাসার বন্ধনগুলো অটুট রাখার এক অনন্য মাধ্যম৷ বেঁচে থাকুক আলোড়িত’৩০ সকলের মনে, ভাল থাকুক এর মাধ্যমে গড়ে ঔঠা পুলকিত সম্পর্কগুলো”৷
//স
পছন্দের আরো পোস্ট