অগ্নিবীণা হলে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা ছাত্র হলে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বিদ্যা দেবী সরস্বতী পূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের মহোৎসব শুক্লাপঞ্চমীর পুণ্যতিথিতে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বর্ণিল সাজে প্রথমবারের মত অগ্নিবীণা ছাত্র হলে এ আয়োজন করা হয়।

সোমবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটার টায় অগ্নিবীণা হল প্রাঙ্গণে শ্রী শ্রী সরস্বতী দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দেয় সনাতন ধর্মাবলম্বি শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড.হুমায়ুন কবীর, প্রক্টর ড.মোঃ জাহিদুল কবীর, হল প্রভোস্ট সিদ্ধার্থ সিধু সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিবুল হাসান রাকিব, অগ্নিবীণা হল শাখার-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবং শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা,কর্মচারিগণ।

এসময় অগ্নিবীণা হলে শিক্ষার্থী, ভক্ত আর দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। পুরোহিত বিভিন্ন ধরনের বাণী ভক্তদের নিয়ে পাঠ করছেন। পূজা শেষে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করে এতে। পরিবার-পরিজন নিয়েও অনেকে এসেছেন পূজা দেখতে। সব মিলিয়ে প্রথমবারের মত পূজাকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে অগ্নিবীণা হল প্রাঙ্গণে।

পুজো করতে আসা রঞ্জিত চন্দ্র বলেন, সকালে এসে মায়ের পায়ে অঞ্জলি দিয়ে, প্রসাদ নিলাম। সরস্বতী দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছি, যেনো বিদ্যাবুদ্ধি দান করেন, যেন পড়ালেখা ভালো করে করতে পারি।

উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় মন্ডপের বাইরেও সংগীত, চারুকলা এবং নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বরজুড়ে বিভিন্ন আইডিয়া ও থিমভিত্তিক প্রতিমা স্থাপন ও মণ্ডপ নির্মাণ করা হয়।

অগ্নিবীণা হলের প্রভোস্ট সিদ্ধার্থ দে বলেন, সরস্বতী দেবী বিদ্যা অর্জনের দেবী। দেবীর পূজায় সারা বিশ্বের অন্ধকার দূরীভূত হবে এবং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষ আলোকিত হবে, তার প্রার্থনা করা হয় দেবীর নিকট। আর যেহেতু সরস্বতী বিদ্যার দেবী তাই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এ উৎসব অনেক বড় করে পালিত হয়। তাই কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিবীণা হলেও এবার আয়োজন করা হয়েছে এই পূজার।

পছন্দের আরো পোস্ট