বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান সাধারন মানুষের কল্যানে কাজে লাগাবেন

রাজধানীর অন্যতম বেসরকারি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেল সমাবর্তন।গত ১৬ ই জানুয়ারি বি আই সি সি তে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।সমাবর্তন সভাপতি ছিলেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ,সমাবর্তন বক্তা ছিলেন সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড.এ কে আজাদ চৌধুরী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান,প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির নির্বাহী সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম,স্টামফোর্ডের চেয়ারম্যান ফাতিনাজ ফিরোজ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ আপনাদের জীবনে স্মরণীয় দিন। শ্রমের যে বীজ বুনেছিলেন, আজ তার ফসল তুলছেন। আপনারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাবেন।’
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসোসিয়েশনের সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ফাতিনাজ ফিরোজ, উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী প্রমুখ।
সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ড. এম.এ. হান্নান ফিরোজের স্মরণে এক মিনিটের নিরবতা পালন করা হয়।
প্রসঙ্গত, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম সমাবর্তন হয় ২০০৯ সালে এবং দ্বিতীয় সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালে। ২০১৮ সালে তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো।
অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী সমাবর্তন বক্তব্যে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষ কথা নয়, জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। জীবনে পরাজয়ের কোনো স্থান নেই, তোমাকে জয়ী হতে হবে। তুমি নিজেকে যেমন মনে করো তার চেয়ে তুমি বেশি বুদ্ধিমান ও সাহসী। জীবনে ব্যর্থতা এলে হতাশ হবে না। মনে রাখবে, বৃষ্টি হলেই কেবল রংধনুর দেখা মিলে। অন্ধকার হলে তারার দেখা মিলে।’
//স
পছন্দের আরো পোস্ট