ভর্তি জালিয়াতির মাধ্যমে ১বছর ক্লাস

জাহাঙ্গীরনরগ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোফসেনা ত্বাকিয়া নামে শিক্ষার্থী জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে ২০১৬-১৭ শিক্ষা বর্ষে এক বছর ক্লাস করার পর জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তাকে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রক্টর বরাবর লিখিত স্বীকারোক্তিতে ত্বাকিয়া উল্লেখ করে, ‘আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নই। কিন্তু আমি ভর্তি জালিয়াতির স্বীকার। আমি আমার অপরাধ স্বীকার করে নিচ্ছি। সাহেদ ইসলাম ওরফে আল আমিন নামের এক শিক্ষার্থী ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে আমাকে ভর্তি করিয়ে দেয়’।

কিন্তু বিভাগটির চেয়ারম্যান উজ্জ¦ল কুমার মন্ডল বলেন, ‘তার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তার কোন কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে নেই’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪২ তম আবর্তনের ও বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক ছাত্র আল-আমিনকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিলো। সে ত্বকিয়ার সাথে পরিচিত, তবে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শেরপুর জেলার নালিতা বাড়ির মোস্তাফা আহম্মেদের মেয়ে ত্বকিয়া ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে জাহাঙ্গীরনরগ বিশ্ববিদ্যালয়ে সি ইউনিটে (কলা ও মানবিকী অনুষদ) কোটায় অপেক্ষামান ছিল। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নং ২২৩৮। তার ক্লাস রোল ২২৩৮ বলে পরিচয় দিতো।

প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, বিভাগের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত করে জালিয়াতির সত্যতা পেয়েছি। ত্বকিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি।

সুতরাং সে আমাদের ছাত্রী নয়। এজন্য তাকে শাস্তি ছাড়াই অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

//স

পছন্দের আরো পোস্ট