খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়ান বাংলাদেশের অভিযাত্রা

‘এক তর্জনী এক দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল (১৩ জানুয়ারি) শনিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ান বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মসূচি। এক তর্জনীতে জেগে ওঠে দেশ, এক তর্জনী এঁকে দেয় পথ, এক তর্জনীতে আসে স্বাধীনতা; এই স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা যিনি, যিনি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের দার্শনিক স্বপ্নের কারুণিক, বঙ্গবন্ধু, তাঁর উত্থিত সেই তর্জনীরই নির্দেশনায় তাঁরই আদর্শে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকলকে সংগঠিত করার প্রত্যয় নিয়ে উদ্বোধিত এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ গঠনের অভিযাত্রা শুরু হলো।

বাংলাদেশে সর্বোতভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন নিয়ে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক সেই তর্জনীর নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত একর্মসূচিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মিলন ঘটে বাংলাদেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাগ্রসরমাণ একঝাঁক তরুণ-শিক্ষকের।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ও সিআরআই কর্তৃক আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সমবেত হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুষ্টিয়া) দুই শতাধিক তরুণ-শিক্ষক। প্রজ্ঞামান নির্দেশনাসহ ছিলেন অধ্যাপকবৃন্দও। কর্মসূচি চলেছে সকাল ১০টা থেকে ৪.৩০টা পর্যন্ত।সকাল ১০.৩০ মিনিটে ওয়ান বাংলাদেশ প্রসঙ্গে পরিচিতিমূলক আলোচনার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির প্রথম পর্ব শুরু হয়। ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত চলে প্রবুদ্ধকরণপর্ব। সেখানে শিক্ষকবৃন্দ বাংলাদেশের আত্মপরিচয়, গণতন্ত্র, কর্মশক্তি, কর্ম-উদ্যোগ, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা প্রভৃতি প্রসঙ্গে তাদের সুচিন্তিত মত বিনিময় করেন। দুপুর ২টা থেকে সিআরআই-এর উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। উপস্থাপনা করেন সিআরআই-এর সহযোগী সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ।

ওয়ান বাংলাদেশওয়ান বাংলাদেশের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন এই কর্মসূচির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স ও ইনফর্মেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো: রশীদুল হাসান। এই কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করেন ওয়ান বাংলাদেশের সমন্বয়ক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. অনির্বাণ মোস্তফা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান, খুলনা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশীদ আসকারী, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

পছন্দের আরো পোস্ট