তীব্র শীতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যহত

গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে জনজীবন ব্যহত । গতকাল তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের কাঁপ-ধরানো গীত থেমে নেই । হাড়-কাঁপানো হিমে এখনো কাঁপছে দেশের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, দিনাজপুর, রাজশাহীর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোয় শীতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি ছিল ।

আজ বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই জেলার আশপাশে যশোরে ৫ দশমিক ৬, সাতক্ষীরায় ৬ দশমিক ৫, বিভাগীয় শহর খুলনায় ৮ দশমিক ৪ ও কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর

এই তীব্র শীতে শিশু ও বয়স্কদের সাথে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও । স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে । এক প্রকার অঘোষিত ছুটি চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ।

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দুপুর পর্যন্ত এই কুয়াশা থাকতে পারে।

পছন্দের আরো পোস্ট