ফিরে দেখার গল্পে ২০১৭

আমরা বাঙালী , বাংলা বর্ষবরণের সাথে আমাদের অনেক আবেগ জড়িত। কিন্তু ইংরেজি বছরের মাস,তারিখকে ঘিরে পরিচালিত হয় আমাদের সারা বছরের দৈনন্দিন কাজকর্ম। তাই স্বাভাবিকভাবেই ইংরেজি নববর্ষ- ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কর্মকাণ্ডের জন্যে সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ।হাজারো স্মৃতি নিয়ে চলে গেল ২০১৭ সাল। নতুন বছরের আগমনে মুখর সারা বিশ্ব। নতুন বছর আয়োজন এখন নানাভাবে। বিগত বছরের ব্যর্থতা, হতাশা আর বঞ্চনার গ্লানি মুছে নতুন স্বপ্নে হোক মানবিক বিশ্ব, যেখানে প্রতিটি মানুষ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ও ভালোবাসা এরকম অনেক স্বপ্ন,  চাওয়া নিয়ে শুরু হচ্ছে ২০১৮ সাল ।

চোখের পলকে চলে যাওয়া ২০১৭ সাল নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের কিছু অভিব্যক্তিঃ

সাব্বির আহমেদসাব্বির আহমেদ। গণিত বিভাগ, ৪৪ তম আবর্তন

ভালো ছিলো সময়টা, হুম আমি ২০১৭ সালের কথা বলছি,ঠিক এমনি এক সময়ে ২০১৭ কে বরন করে নিয়েছিলাম,আজ বিদায় জানাতে হচ্ছে,শুভ হোক বিদায়। ২০১৭ শুরুর দিনটাতে ভেবেছিলাম,সকল প্রতিকুলতা কাটিয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হবো,হয়েছি তবে কিছুটা অপ্রাপ্তি থেকে গেছে।কারন যোদ্ধা তো যুদ্ধই যার কাম্য।

ইয়ামীমা তাসনিম কথাইয়ামীমা তাসনিম কথা । গণিত বিভাগ ,৪৩ তম আবর্তন

গল্পের বই এর মত করে নানা আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল ২০১৭.প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি পরিমাণের গড় ছিল সমান।জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে সামনে এসেছে নতুন সময়, নতুন বছর। অতঃপর পুঞ্জিকার একটি পাতা খসে পড়ল। তবে কী পরিবর্তন হলো আমাদের জীবন ও জীবিকার? সে হিসাব কিন্তু প্রত্যেক মানুষকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কষে নিতে হবে।বাড়ছে দিন, কমছে বেঁচে থাকার সময়।২০১৮ অনেক প্রত্যাশাময় বছর।সবার জন্য শুভ কামনা নিয়ে স্বাগত জানাই ২০১৮ সালকে।

মেহেদী হাসান শোভনমেহেদী হাসান শোভন। অর্থনীতি বিভাগ, ৪৩ তম আবর্তন

অনেক সফলতা-ব্যর্থতার ও চাওয়া না-পাওয়ার মধ্যে সময় চলে গেলো ২০১৭ সাল। এরপরেও প্রত্যাশা,পুরানো বছরের ব্যর্থতা, গ্লানি, হতাশাকে ঝেড়ে ফেলে নব উদ্যমে এগিয়ে যাবে আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ।এ বছর আমরা হারিয়েছি বহু প্রিয়জনকে। এরপরেও আমাদের প্রত্যাশা বিগত দিনের সমস্ত গ্লানি মুছে নতুন দিনের নবউদ্যমে এগিয়ে যাওয়া।

রোকেয়া রহমান লিয়ারোকেয়া রহমান লিয়া। গণিত বিভাগ,৪৩ তম আবর্তন

২০১৭ সাল ভাল, খারাপ মিলিয়ে ছিল।তবে প্রাপ্তি অনেক বেশি।অনেক ব্যস্ততার মাঝে দিয়ে শেষ হয়েছে বছর।সব থেকে বড় কষ্টের জায়গা ছাত্রজীবনের শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি বলে। নতুন বছরে ভালো কিছু হোক এই আমার প্রত্যাশা। দেশ এগিয়ে যাক।দুর্নীতি, অপরাধ, গ্লানি শেষ করে সামনে এগিয়ে যাক বিশ্ব এই কামনায় সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল।

অদিতি রুমনাজ দ্যুতিঅদিতি রুমনাজ দ্যুতি। অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ, ৪২ তম আবর্তন

বছরটা গিয়েছে পরীক্ষাময়। ২০১৭ সাল যেন পলকেই শেষ হয়ে গেল।২০১৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশে ভিডিও করাতে ব্যস্ত মানুষগুলোর ভেতর  “মনুষ্যত্ব” এর উদয় যেন হয় এবং একহাতে ক্যামেরা ধরে থাকলেও যেন অন্য হাতটা সাহায্যের জন্য বাড়িয়ে দেয়।

নবিউল ইসলাম বাপ্পীনবিউল ইসলাম বাপ্পী। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগ, ৪৩ তম আবর্তন

একটি মিশ্রিত অনুভুতির সমাহার নিয়ে কেটেছে বছরটি।  যেখানে জীবনের ব্যালেন্স ছিল সমানুপাতিকহারে। লালিত স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা নিয়ে পথচলা হবে সীমাহীন।

সৈয়দ লায়েব আলীসৈয়দ লায়েব আলী। দর্শন বিভাগ, ৪৩ তম আবর্তন

পিছনে ফিরে দেখার সময় নাই, চরম ও শেষ প্রস্তুতি জীবন যুদ্ধের , অর্জিত শিক্ষা ও অভিঙ্গতার আলোকে অনন্তত পরিবার কে আলোকিত করা সম্ভব । সবার সহযোগিতায় পারে পথচলাকে মসৃন ও দৃঢ় করতে।

আরিফ আহমেদ সৌরভআরিফ আহমেদ সৌরভ।  বাংলা বিভাগ,৪৩ তম আবর্তন

‘২০১৭’ ছিল একটি বর্ণিল বছর।প্রাপ্তির সাথে যেমন কিছুটা অপ্রাপ্তি তেমনি ভালোর সাথে কিছুটা মন্দ লাগাও ছিল।কিছু ঘটনা সুন্দরের স্বপ্ন দেখিয়েছে,নতুন করে জেগে ওঠার প্রেরণা জুগিয়েছে।সর্বোপরি ইতিবাচক বছর ছিল ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ।  ২০১৮ বয়ে আনুক সবার জীবনে সুখের বার্তা এই কামনা রইল।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আমাদের জাবি প্রতিনিধি সাব্বির আহমেদ

পছন্দের আরো পোস্ট