তরুন প্রানে উচ্ছ্বাসিত হাবিপ্রবি

আজ বুধবার সকাল ৯ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুনদের আনাগোনা, লাইব্রেরী  চত্ত্বর, ডি – বক্স, অডিটোরিয়াম চত্ত্বর, লিচু বাগান, ভেটেরিনারি ক্যাম্পাস, ওয়াজেদ ভবন চত্ত্বর সহ ক্যাম্পাসের প্রতিটি এড়িয়া ছিল ব্যস্ত। সকাল ১১ টা সময় অডিটোরিয়াম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীন বরন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান(প্রতিমন্ত্রী) প্রফেসর মোঃ আব্দুল মান্নান , বিশেষ  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য জনাব প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্‌ নওয়াজ আলী , অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য প্রফেসর ড. মুঃ আবুল কাসেম।


এ সময় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীন বৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপিস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. এম. শাহ্‌ নওয়াজ আলি।

এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদাৎ হোসেন খান,প্রক্টর ড. মো: খালেদ হোসেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন  রবিউল ইসলাম রবি,এবং মোমিনুল হক রাব্বী। এছাড়াও নবীন এবং প্রবীন শিক্ষার্থীদের মধ্য দেশী-বিদেশী তিন জন শিক্ষার্থী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন,বেকারত্বের দিক দিয়ে বাংলাদেশে ১২।  বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ লক্ষ লোক চাকরীর বাজারে ঢুকছে, দেশের শিক্ষিত জনগনকে এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যাতে তারা দেশের সকল সেক্টরে কাজ করতে পারে।

তিনি আরো বলেন  এখানে যে শিক্ষা নিবে তা পরের শিক্ষা নেয়ার পথ দেখাবে। শিক্ষা চলমান পক্রিয়া যার ধারাবাহিতা রক্ষা না করলে পিছিয়ে পড়বে।

সভাপতির বক্তব্যে হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, হাবিপ্রবিতে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। হাবিপ্রবিতে উদ্ভাবিত গবেষনার ফল সরাসরি জনসাধারণ কে দেয়ার ব্যবস্থা, ভেটেরিনারি ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিক, মাছের জন্য উন্নতমানের হ্যাচারী সহ আবাসিক ব্যবস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। হাবিপ্রবি অন্যকে অনুসরণ করে নয় নিজে করবে,  যা দেখে অন্যরা  অনুসরণ করবে। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের সহকারী পরিচালক ড. রাশেদুল ইসলাম।

//স

পছন্দের আরো পোস্ট