চবিতে নবনির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চ উদ্বোধন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেনৃ, ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনের প্রকৃত রূপ নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরা সম্ভব। তাই নাটক সমাজের দর্পণ। তিনি আজ (২ জানুয়ারি ২০১৮) মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপি (২, ৩ ও ৪ জানুয়ারি ২০১৮) ২য় বার্ষিক নাট্যেৎসব এবং নবনির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

উপাচার্য তাঁর ভাষণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে এ নাট্যেৎসবের সাথে সম্পৃক্ত শিল্পী-কলাকুশলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে স্বাগত, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ নাট্যেৎসবের বর্ণিল আয়োজন ও প্রাণচঞ্চল আনন্দময়তা সকল প্রকার ক্ষুদ্রতা, দীনতা, গ্লানি, তুচ্ছতা, কূপমন্ডুকতা, মৌলবাদ-জঙ্গিবাদসহ সকলপ্রকার অশুভ শক্তিকে নিধন করে উদার-মহৎ প্রাণের ঐশ্বর্য সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

নাট্যেৎসবে পরিবেশিত নাটকসমূহ দেশে নাট্য চর্চা ও নাট্যকলা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি নাট্যেৎসব এবং বহু কাংখিত উন্মুক্ত মঞ্চের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক জনাব আবুল মোমেন, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান ও নাট্যকলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ।

উপাচার্য অতিথিদের সাথে নিয়ে নাট্যকলা বিভাগের ল্যাব ও পাপেট ল্যাব-এর শুভ উদ্বোধন করেন। এছাড়াও এ নাট্যেৎসব উপলক্ষে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আনন্দ শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে নাট্যকলা বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ তিনদিন উন্মুক্ত মঞ্চ, জিয়া হায়দার স্টুডিও এবং জারুল তলায় প্রতিদিন বেলা ১ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাটক পরিবেশিত হবে।

পছন্দের আরো পোস্ট