প্রাইমারীতেই শুরু হোক ইতিহাস চর্চা

আজ বাংলাদেশের ৪৭তম বিজয় দিবস। সরকারী ছুটির দিন হলেও নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন করেছে সারা দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছোটছোট বাচ্চাদের কাছে এ দিবস কেবলই ছুটির দিন। তাদের জানা বিজয় দিবসের ইতিহাস অথবা তাদের মনে বিজয়ের অনুভূতি কেমন, স্কুল শিক্ষার্থীদের ঐসব মতামত নিয়েই আজকের বিজয় দিবসের এই বিশেষ প্রতিবেদন

পাঠ্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের ইতিহাস স্কুলজীবনের শুরু থেকেই যুক্ত হয়েছে। সকল স্কুলই শিশুদের নিয়ে আজ র‍্যালী-সমাবেশ, চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন করে থাকে। কিন্তু বাচ্চারা কি আদৌ নিজের মনে তা ধারণ করছে কিনা তা ভেবে দেখছে না কেউই।

রাজধানীর অদূরে সাভার-আশুলিয়ার বেশ কিছু স্কুল ঘুরে দেখা যায় সকালবেলা বিজয়-র‍্যালী নিয়ে বের হয়েছে সবাই।বাচ্চাদের সরাসরি প্রশ্ন করা হলঃ

আজ কি?

উত্তর এলোঃ বিজয় দিবস। 

কিসের বিজয় দিবস বা বিজয় দিবসের মানে কি, তা জানেনা অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই

আবার কিছু ব্যতিক্রমও পাওয়া গেছে। আশুলিয়ার দূর্গাপুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের বাচ্চারা এসকল প্রশ্নের উত্তর জানে। বিজয়ের ইতিহাস তাদের মুখস্থ। তাই তাদের বিজয় উদযাপনও ছিল বিজয়ের মত। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রুবেল মন্ডল বলেন, ‘গত কয়েকদিন যাবত বিকাল বেলা স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। তখনই বাচ্চাদের সাথে গল্প করতে করতে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বলেছি।’

৯ মাস যুদ্ধের পরে বহু প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা যদি আমরা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ভাবে পৌছাতে না পারি, তাহলে হয়তো একটি গর্বের ইতিহাস গুলো বিলীন হতে শুরু করবে বলেও মনে করেন মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোঃ আলতাফ হোসেন মন্ডলের এই ছেলে।

//শ

পছন্দের আরো পোস্ট