স্টামফোর্ড আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য উৎসব

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে দুই দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য উৎসব ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (৪ ডিসেম্বর, ২০১৭) সাহিত্য উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় লেখক ইমদাদুল হক মিলন, স্বাধীন বাংলা বেতারের কন্ঠযোদ্ধা আবৃত্তিকার মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম, লেখক মুম রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মাদ আলী নকী, সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ফিরোজ আহমেদ, সাহিত্য ফোরামের কনভেনর মোঃ মোকাররম হোসেন চৌধুরী, সাহিত্য ফোরামের সদ্য বিদায়ী সভাপতি অমিক সিকদার।

৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ কবিতা আবৃত্তি, ছোট গল্প লেখা এবং সাহিত্য কুইজে অংশ নেয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে কবিতা আবৃত্তিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তমা ইশরাত ও জুলফিশা রাবেয়া মুমু এবং স্টামফোর্ডের মার্জিয়া সুলতানা উপমা। ছোট গল্প লেখায় যথাক্রমে স্টামফোর্ডের দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু, ফাহিম তাকি ও কাজি উম্মে সাবরিন সিলভী এবং সাহিত্য কুইজে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের জাহিদুল ইসলাম, স্টামফোর্ডের মার্জিয়া সুলতানা উপমা এবং মৌমিতা অন্তরা ।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘বর্তমানে মানুষ যেখানে সাহিত্যের কথা গুরুত্বহীন ভাবতে শুরু করেছে সেখানে স্টামফোর্ড সাহিত্য ফোরাম সাহিত্যকে নিয়েই কিছু করে চলছে; যেটা অবশ্যই অনেক বড় সাহসের কাজ। আমি সবসময় তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। ’

আশরাফুল আলম সাহিত্য ফোরামকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এক মঞ্চে এনে দাড় করাতে পারাটা স্টামফোর্ড সাহিত্য ফোরামের একটা বড় সাফল্য। আমার বিশ্বাস, তারা আজকের মত আগামীতেও সফল হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মাদ আলী নকী সাহিত্য ফোরামের এমন আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে পুলক বিহারী দত্তকে সভাপতি ও মামুনুর রশিদ রাজিবকে সাধারণ সম্পাদক করে ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।

পছন্দের আরো পোস্ট