ইবি’র এস্টেট শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এর অকাল মৃত্যু

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী এক শোকবার্তায় এস্টেট শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মুঃ হারুন-অর-রশীদ এর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন উপ-রেজিস্ট্রার মুঃ হারুন-অর-রশীদ ছিলেন একজন সৎ, দক্ষ, কর্মঠ, বন্ধুভাবাপন্ন ও প্রগতিশীল কর্মকর্তা। তাঁর এই অসময়ে এভাবে চলে যাওয়াটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অপুরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল যা কখনও পুরন হবার নয়। শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এছাড়া পৃথক পৃথক শোকবার্তায় প্রো-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা এস্টেট শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মুঃ হারুন-অর-রশীদ এর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অপর এক শোকবার্তায় উপ-রেজিস্ট্রার মুঃ হারুন-অর-রশীদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ। তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শুক্রবার বাদ জুম্মা মরহুমের প্রথম জানাযার নামাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিন, সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, অফিস প্রধান, ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও জেলার সাধারন সম্পাদক মোঃ সাইদুল করিম মিন্টু, ছাএলীগ ইবি শাখার সাবেক নেতৃবৃন্দ, ছাএলীগ ইবি শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা হালিমসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে সদস্যরা।

আগামীকাল (৩০ সেপ্টেম্বর) মরহুম মুঃ হারুন-অর-রশীদকে শেষ নামাজে জানাযা শেষে মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার ঘাসিয়াড়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। উল্লেখ্য যে মুঃ হারুন-অর-রশীদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯১-৯২ সেশনের রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ছাত্রজীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রগতিশীল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে জেল খেটেছেন। কর্মজীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রগতিশীল কর্মকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহন করেছেন। তিনি ছাএলীগ ইবি শাখার সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন।

পছন্দের আরো পোস্ট