ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সমাধান করতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন ছাত্র-শিক্ষক

রাজধানীর লালমাটিয়া মহিলা কলেজের সামনের একটি রেস্তোরাঁ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন সমাধান করার সময় এক শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।বুধবার এইচএসসি উদ্ভিদ বিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করা হয়। পরে একজনকে দুই বছর ও অপরজনকে একমাসের জেল দেন দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট।

আটক দুইজন হলেন,রাজধানীর কোডা কলেজের সহকারী অধ্যাপক (উদ্ভিদ) সিফাত জেসমিন নূর এবং লালমাটিয়া মহিলা কলেজে কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদি হাসান। তিনি তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকে লালমাটিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রের সামনে ও কুটুমবাড়ি নামে একটি রেস্তোরাঁয় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কিছু শিক্ষার্থী। সেখানে সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন। পরীক্ষা শুরুর পর মোবাইল ফোনে পাঠানো ফেসবুকে প্রশ্নের উত্তর সমাধান করার সময় ধরা পড়েন সিফাত জেসমিন নূর ও মেহেদী হাসান। তারা পৃথক দুটি গ্রুপে ছিলেন।

বিষয়টি স্বীকার করে ঢাকা বোর্ডের উপপরির্দশক অদৈত্ত কুমার শাহা বলেন, কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জেল হোসেন তাদের জেরা করেন। আটক হওয়া মেহেদী হাসানের মোবাইল ফোনে থেকে ‘আর জে রাহাত’ নামের এক আইডি পাওয়া যায়। সেখানে ফেসবুকে পোস্টের বিষয়টি বের হয়ে আসে।

পরে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট তাদের একজনকে দুই বছর ও অপরজনকে একমাসের কারাদণ্ড দেন। এরপর তাঁদের মোহাম্মদপুর থানায় নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে রাজধানীর কবি নজরুল কলেজের সামনে চার পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছেন ঢাকা বোর্ডের দায়িত্বরত পরিদর্শক দল।

সুত্র:জাগো নিউজ

পছন্দের আরো পোস্ট