‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’গ্রুপ পেজের মেধাবী তিন এডমিনের স্বপ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান আর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিকট ফেসবুকে সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রুপ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’। সমাজ কল্যাণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার আগে সোচ্চার হয়ে ওঠে এই গ্রুপটি।

আর গ্রুপটি পরিচালনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তিন মেধাবী শিক্ষার্থী। সম্প্রতি ঢাবি নিয়ে মিথ্যাচার করায় একজন কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে মামলা করেন গ্রুপটির সিনিয়র এডমিন মোতাকাব্বির খান প্রবাস।

যা বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রশাসন, বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রনেতাদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা পান।

মানবতার পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই তিন এডমিন। মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেন। যা ‘দ্য চায়না ডেইলি, টেলিগ্রাফ, বার্মা মুসলিম’সহ বিশ্বের সকল বড় বড় মিডিয়া সেই সংবাদ প্রচার করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের প্রাণের দাবি রিক্সা ভাড়া নির্ধারণ করা। তা নির্ধারণ করার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ঢাবি পরিবারেরই এই তিন এডমিন।

আগামী কিছুদিনের মধ্যেই সেটি বাস্তবায়ন হবে বলে জানান গ্রুপটির এডমিন এস.এম রাসেল। পুরো ঢাবি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের একটি বড় প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে পরিবারের এই তিন এডমিন। আগামী জুনে তা বাস্তবায়ন হবে বলে জানান গ্রুপের সিনিয়র এডমিন মুতাকাব্বির খান প্রবাস।
মোতাকাব্বির খান প্রবাস। সদা সহাস্যমুখ, ক্যাম্পাসের জনপ্রিয়, ময়মনসিংহের এই ছেলেটি সবসময়েই সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করেন। ক্যাম্পাসের যেকোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।

প্রবাস বলেন- “স্বপ্ন দেখি একটি সুখী,সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যেখানে কোন অন্যায় থাকবে না,কোন অবিচার থাকবে না,সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসার প্রতিদান স্বরুপ তাদের নিয়ে কাজ করি।”
ভবিষ্যতে দেশের জন্য,দেশের মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখেন।

এস.এম রাসেলএস.এম রাসেল। মুতাকাব্বির খান প্রবাসের মতোই বরিশালের কৃতি সন্তান রাসেলও অনেক জনপ্রিয় ঢাবি শিক্ষার্থীদের কাছে । সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করতে তিনিও ভালোবাসেন। ক্যাম্পাসের যেকোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় তাকে। প্রবাসের মতো তিনিও স্বপ্ন দেখেন ভবিষ্যতে মানুষের জন্য কাজ করার।

রাসেল বলেন, আমার বাবা, চাচা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন । তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার আবেগটা জিনগত। প্রাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু করার তাগিদ হৃদয় থেকে অনুভব করি। সকলের ভালোবাসা নিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

শাহরিয়ার প্রামাণিক।শাহরিয়ার প্রামাণিক। একসময় বিতর্কের মঞ্চ কাঁপাতেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখক হিসেবে ভালোই জনপ্রিয়তা তিনি।গ্রুপের সর্বকনিষ্ঠ এডমিন। ভবিষ্যতের স্বপ্ন কি জানতে চাইলে তিনি বলেন-
‘আমি শহিদ পরিবারের সন্তান, আমার দাদা মহান মুক্তিযুদ্ধে কমান্ডার ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন তিনি। আমারও ইচ্ছে আমার দাদার মতো দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার স্বপক্ষে কাজ করা।’

পছন্দের আরো পোস্ট