এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

আজ (২ এপ্রিল) রবিবার  সকাল ১০টায় সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ দশটি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় (বিআইডিএসসহ) এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৬৯৭ এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৯ জন। গত বছরের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৪ হাজার ৯৪২ জন।

প্রথমদিন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ (বিআইডিএস) পরীক্ষার্থীরা বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র পরীক্ষা দেবেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলীম পরীক্ষায় প্রথমদিন অনুষ্ঠিত হবে কুরআন মাজিদ। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল) বাংলা-২ [সৃজনশীল (নতুন/পুরাতস সিলেবাস)] ও বাংলা-১ [সৃজনশীল (নতুন/পুরাতন সিলেবাস)], কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষায় বাংলা-২ নতুন সিলেবাস ও বাংলা-১ সৃজনশীল নতুন সিলেবাস এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ডিপ্লোমা ইন কমার্সে বাংলা-২ ও বাংলা-১ (সৃজনশীল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০টায় শুরু হয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনি পরীক্ষা এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে। তত্ত্বীয় পরীক্ষার পর ১৬ থেকে ২৫ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলীম পরীক্ষা শেষ হবে ৩ মে। তত্ত্বীয় পরীক্ষার পর ১১ মে’র মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল) তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১৭ এপ্রিল। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৮ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যব্স্থাপনা) তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২৯ এপ্রিল। পরীক্ষার পর ১১ থেকে ১৮ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা-ইন কমার্স তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১৯ এপ্রিল। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩ থেকে ১১ মে।

পরীক্ষার দিন সকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ঢাকা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।

পরীক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রের ভেতরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/ভেন্যু প্রধান ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন না।

গত ৩০ মার্চ সচিবালয়ে পরীক্ষা সংক্রান্ত্র সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ পরীক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের পেছনে না দৌড়াতে অনুরোধ জানিয়েছেন। শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ওইদিন জানান, ফেসবুক গ্রুপে কোনও পরীক্ষার্থী সক্রিয় থাকলে এবং প্রশ্ন সংগ্রহ করলে তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হবে। সবশেষে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে যেই থাকুক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পছন্দের আরো পোস্ট