গল্পটা বন্ধুত্বের

গল্পটা যেখানে বন্ধুতের সৃতিটা সেখানে অমলিন, হে বন্ধু মানে না মুছে যাওয়া সুখের স্মৃতি,বন্ধু মানে মনের সকল আবেগ অনুভুতি নতুন দ্বার,বন্ধু মানে সবচেয়ে মন খারাপের সময়ে এক ঝলক হাসি।

সেই বন্ধুত্বের গল্পটা শুরু দিকে একটু অন্য রকম ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু দিকে আজনা অচেনা মুখ হটাত করে কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো তোমার বাসা কোথায় হচকচিয়ে সালাম দিয়ে দিয়ে বললাম নাটোরে, হেসে জবাব দিল, আরে ভয়ের কিছু নেই আমি তোমার ব্যাচমেট।গল্প টা শুরু হলো,চলছে প্রতিদিন ক্লাস পর আড্ডা মিলেমিশে সিনিয়র দের ঝারি খাওয়া এভাবেই চলছিল। আস্তে আস্তে পরিচয় অনেকের সাথে হলে উঠা হলো গনরুমে,৯৯৯ নাম্বার রুম যা জিয়া হলের টিভি রুম নামে খ্যাত।আমরা প্রায় ৩০ জন থাকি এক রুমে। সে কি মজার দিন, নাশকতা গ্রুপ, থিম সং, মুড়ি পার্টি কি না করতাম বন্ধুরা মিলে। সবার সাথে তেমন ভাল সখ্যতা ছিল না পরিচিয় দেশিবয় জয় দা,বগুরিয়ান বাকি বিল্লা,দেবদাশ,ফারুক তুহিন, তারেক,তাজউদ্দীন হলে অনুপ,রুবেল,তমাল সাফি,বাপ্পি ।

তারপর আস্তে আস্তে ক্যাম্পাসে সার্কেল বাড়তে থাকলো পরিচয় কয়েজন বান্ধবী দের সাথে মাহমুদা,স্মৃতি, তিথি,পুস্প, মিলি, সহ অনেকের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পুর্নতা পেতে থাকলো আস্তে আস্তে,হুট হাট ঘুরতে যাওয়া, দিনাজপুরের আশে পাশে কোন অঞ্চল বাদ দেওয়া হয় নাই।ঘুরতে যাওয়া ছবি তোলা,খাওয়া দাওয়া হই হুল্লোর এভাবেই সুন্দর কাটছিল আমাদের জীবন।দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল অনার্স লাইফ সবাই ব্যাস্ত নিজেকে নিয়ে তবুও একটু সুযোগ পেলে সবাই ঘুরে আসে স্মৃতিময় সেই নিকট অতিতে বন্ধুদের সাথে কাটানো কিছু স্থির চিত্র দেখে নেয়।ছবি গুলো দেখলেই মনে হয় যেন এই তো সেদিন ঘুরে বেড়ালাম,আড্ডা দিলাম,,ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতি গুলো সব সময় তারা দিয়ে বেড়ায়।#

আরএইচ

পছন্দের আরো পোস্ট