শ্রেণী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

5025শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের এক কোটি ৪২ লাখ ছাত্রছাত্রীকে উপবৃত্তি এবং অন্যান্য বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের শতকরা ৪০ ভাগ এ ধরনের বৃত্তি পাচ্ছে।

মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ)-এর আওতায় এসিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল ছাত্রছাত্রীকে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে, যা বিশ্বে এক অতুলনীয় উদাহরণ। আমাদের সকল শিশুরাই এখন স্কুলে যায়। সংখ্যাগত বিবেচনায় আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। এখন শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, যেসব পশ্চাদপদ এলাকার স্কুলগুলোতে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানে ছাত্রছাত্রীরা বেশি ফেল করত তাদের অবস্থার উন্নয়নে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ক্লাস টিচার (এসিটি) নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এর ফলে স্কুলগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার মানের উন্নয়ন হয়েছে এবং স্কুলগুলোতে এই তিনটি বিষয়ে ফেলের হার কমে এসেছে এসিটি কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত শিক্ষকদের দিয়ে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ লাখ অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। সহজপাঠ্য বই, ক্লাসরুম আনন্দময় করা এবং পরীক্ষায় বিষয়ের সংখ্যা কমানোর মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হবে। তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। আমরা সবার জন্য মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।

সেকায়েপ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহামুদ-উল-হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব মো.সোহরাব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সেকায়েপ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক আ. হামিদ জমাদ্দার বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় নকলা ও হালুয়াঘাট উপজেলার প্রতিষ্ঠান প্রধান, স্কুল ও মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে অতিরিক্ত ক্লাস টিচারগণ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, দেশের প্রতিটি জেলার দু‘টি করে উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।(বাসস)।

পছন্দের আরো পোস্ট