ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ১৬ শিক্ষানবীশ নিয়োগ

“নিজের সুপ্ত নেতুত্বকে বিকশিত কর” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এ্যাপ্রেনটিকশীপ প্রজেক্ট ২০১৬ এর চুড়ান্ত বাছাই পর্ব সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ল্যাবে অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞ বিচারকমন্ডলীর রায়ে ১৬ জনকে চূড়ান্তভাবে এপ্রেনটিচ হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন, লিড কনসালটেন্ট এবং ফিউচার লিডার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী এম. আহমেদ, এসটিএস হোল্ডিং লিমিটেডের মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক মিস আলকনা কে. চৌধুরী চুড়ান্ত বাছাই পর্বে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

এপ্রেনটিচশীপ প্রজেক্ট ২০১৬ এর বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৬ জুন ২০১৬ তারিখে যেখানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রায় ৫০০ সাবেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।পরবর্তীূতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রকিয়ায় যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে শেষ পর্বের জন্য ৫১ জন নির্বাচিত হয়। সেখান থেকে পরবর্তীতে ১৬ জনকে চুড়ান্ত ভাবে নির্বাচন করা হয় যারা আগামী তিন মাস চাকুরীর পাশাপাশি পর্যায় ক্রমে ড্যাফোডিল পরিবারের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে।

নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়ায় পোশাক, প্রযুক্তি বন্ধভাবাপন্নতা, সময়ানুবর্তিতা, শরীরি অঙ্গভঙ্গি, আচরণ, যোগাযোগ, নৈতিকতা, প্রশ্ন ও উত্তর, উপস্থাপনা, মৌখিক পরীক্ষা, আইকিউ, ইংরেজী এবং সাধারন জ্ঞানের উপড় লিখিত পরীক্ষা, টিভি শো সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপড় জোর দেওয়া হয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষানবিশ বাংলাদেশে একটি সম্পূর্ন নতুন ধারনা যার মাধ্যমে সদ্য বের হওয়া গ্র্যাজুয়েটরা পেশাগত জীবনে প্রবেশের পূর্বে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে।

এই কর্মসূচির আওয়াতায় যোগ্য প্রার্থীকে চুড়ান্ত ভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং তারা ভবিষ্যতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ড্যাফোডিল পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অধীনে শিক্ষানবীশ হিসাবে কাজ করবে। প্রতিযোগীতামূলক এবং নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছইকৃত এই শিক্ষানবীশরা পরবর্তীতে নিজের পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করে ড্যাফোডিল পরিবারের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ পাবে। ##

পছন্দের আরো পোস্ট