মেট্রোপলিটনে শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। কয়েকজন বিপথগামী সৈনিক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তা ঠিক নয় বরং তাঁর মৃত্যুর পেছনে ছিল আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। বাঙ্গালী জাতিকে স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করার সুযোগ দান করেন বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করা ছিল জাতির জন্য কলঙ্কজনক এবং তাঁর সম্বন্ধে বিভ্রান্তি ও ইতিহাস বিকৃতি লজ্জাজনকও বটে।

সোমবার (১৫ই আগস্ট) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কীর্তির উপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক অধ্যাপক ইমেরিটাস এম. আব্দুল আজিজ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

২আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দেশপ্রেম, দর্শন ও মূল্যবোধ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাংলার শাসক হিসেবে বঙ্গবন্ধুই ছিলেন ইতিহাস সৃষ্টিকারী প্রথম বাঙ্গালী। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার হলেও তাদের অনুসারীরা এখনও সক্রিয়। তিনি এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে জানার জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর সঠিক মূল্যায়ন না হলে জাতি হিসেবে আমরা কোনদিন উন্নতি করতে পারবো না।

পরিচালক (অর্থ) মিহির কান্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় শোক দিবসের আলোচনায় অংশ নেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম. রবিউল হোসেন, ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাহের বিল্লাল খলিফা, সামাজিক ও মানবিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল হক চৌধুরী, সহকারী প্রক্টর এড্ভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন এবং বিবিএ’র ছাত্র স্বদেশ রায়।

উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ফজলুর রব তানভীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক নন্দলাল শর্মা, সহকারী রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা লোকমান আহমদ চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।##

পছন্দের আরো পোস্ট