জাবিতে উন্নয়ন ফি বেশি নেওয়ার অভিযোগ

ju gateজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেশি উন্নয়ন ফি নিয়ে এসি লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদে মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিভাগ এবং বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায়, বিভাগের সভাপতির কক্ষে একটি এবং বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরিতে একটি এসি লাগানো হবে। এসির ক্রয়ের এই টাকা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্ধারিত বিভাগ উন্নয়ন ফি থেকে।

জানা যায়, গত ২৩ জুলাই স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আলী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ভর্তির শেষ তারিখ ১৪ আগস্ট রোববার।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য বিভাগে খোঁজখবর নিতে যান। তারা দেখেন স্নাতকোত্তর শ্রেণির ভর্তিতে বিভাগ উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ জানায়। বিভাগ উন্নয়ন ফি কমিয়ে এক হাজার টাকা করার দাবিতে গত ৬ আগস্ট শনিবার শিক্ষার্থীরা বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন দেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার বিভাগের একাডেমিক কমিটি সভা করে উন্নয়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে চার হাজার টাকা করা হয়।

শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কলা ও মানবীকি অনুষদের অধীনে অন্য কোন বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তির জন্য এতো টাকা উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করা হয় না। এত অল্প সময়ে আমরা এই টাকা কোথায় থেকে জোগাড় করব জানি না।

জানা গেছে, উন্নয়ন ফি আদায়ের বিষয়ে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কোন সুষ্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় বিভাগগুলো তাদের ইচ্ছেমতো উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করে তা আদায় করছে।

বিভাগগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রথম বর্ষে এবং স্নাতকোত্তর শ্রেনীতে ভর্তির সময় দুইবার করে উন্নয়ন ফি আদায় করছে। এতে শিক্ষার্থীরা বরাবরই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের কাছ হতে বিভাগগুলো কোন অর্থ আদায়ের নিয়ম নেই। কিন্তু ২০০৭ সালের সিন্ডিকেটের ২৬৩ তম সভার তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তের আলোকে বিভাগগুলো এ অর্থ আদায় করছে।

এ বিষয়ে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার মন্ডল এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।#

পছন্দের আরো পোস্ট