চুয়েটে উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

1২২প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্বাবধানে পরিচালিত একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের আওতায় উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প অাজ ( ২১ জুলাই, ২০১৬) বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে চুয়েটের কেন্দ্রিয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এ দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই যে কোন উন্নয়ন-অগ্রগতিতে নারীদের সম্পৃক্ত করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নারীর যথাযথ ক্ষমতায়ন ও সমঅধিকার। নারীদেরকে সেল্ফ এন্টারপ্রিনিয়ার হতে হবে। এসব বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন বলেই একের পর এক যুগান্তকারী কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প অনুসরণে উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প আয়োজন অত্যন্ত একটি সময়োপযোগী কার্যক্রম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীদের উদ্ভাবনী শক্তি সম্পর্কে অবগত। বর্তমানে যেসব নারী উদ্ভাবনী চিন্তা ও ধারণাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে চায় তাদের জন্য অনেক বড় বড় সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি আত্নবিশ্বাসের সাথে নতুন আইডিয়াগুলোকে বাস্তবে রূপদান করার জন্য আগামীদিনের নারী প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

চুয়েটের সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট ড. রাজিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতি:দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম এর ইনোভেশন এসোসিয়েট মো: সাখাওয়াত ইসলাম, সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড এসোসিয়েট জনাব নাহিদ আলম।

 

Post MIddle

এ সময় অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন চুয়েটের সেন্টার ফর রিভার, হারবার এন্ড ল্যান্ডসস্লাইড রিসার্চ এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আয়শা আক্তার এবং সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক জনাব প্রিয়াম চৌধুরী। সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ফজলুর রহমান।

 

প্রসঙ্গত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম নিয়ে এসেছে নারীদের সমস্যা দূর করতে এই অনন্য প্রতিযোগিতা “উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৬”। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায় শিক্ষার্থীরা ৩ সদস্য নিয়ে দল গঠন করে চিহ্নিত ৯টি সমস্যার সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।

 

অনলাইনেwww.a2i.pmo.gov.bd/wic 2016 এ গিয়ে যেকোন দলের সমস্ত তথ্য ও সমস্যার সমাধান পোস্ট করতে হবে আগামী ৫ আগস্ট-এর মধ্যে। ২৮ আগস্টের গ্র্যান্ড ফাইনালে কোন দল দল বিজয়ী হলে সুযোগ পাবে দলটির প্রদত্ত সমাধান নীতি নির্ধারকদের সামনে উপস্থাপন করার।

 

“উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৬”-তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের কিশোরী, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থী, তৈরি পোশাক শিল্প খাতে কর্মরত নারী কর্মী, নারী উদ্যোক্তা, গৃহকর্মী, নারী অভিবাসী কর্মী, এবং শহরে চাকুরীরত নারী পেশাজীবীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে পারে।

 

চুয়েট

পছন্দের আরো পোস্ট