জাবিতে গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির বিদায় ও নবীন বরণ

jahangirnagar-university-1
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আয়োজনে ৩৯ তম আবর্তনের বিদায়, ৪৫ তম আবর্তনকে বরণ এবং সমিতির নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ত¡ হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

 

শুক্রবার সকাল দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে মধুমতি তীরের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা বসে।

 

 

 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মেজর রুহুল আমীন, আওয়ামী যুবলীগের সহ-সম্পাদক রিয়াজ মিনা। বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের মারকুটে ব্যাটসম্যান আনামুল বিজয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি রিজু মোল্লাসহ ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আহবায়ক নিয়ামুল তাজের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ত¡ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল হাবিব।

 

 

 

Post MIddle

অনুষ্ঠানে দেশগঠনে গোপালগঞ্জের অহংকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান উলে­খপূর্বক গোপালগঞ্জ জেলায় নানা বিষয় আলোচিত হয়।মেজর রূহুল বলেন, গোপালগঞ্জের সন্তানদের এক হয়ে থাকতে হবে দেশের প্রয়োজনে। জান্নাতুল হাবিব বলেন, গোপালগঞ্জের ছেলে মেয়েরা নিজ যোগ্যতায় পেশাজীবনে সফল হলেও এটা নিয়ে সমালোচনা করার মানসিকতা পরিহার করা উচিত। প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোগত দিক দিয়ে বগুড়াসহ দেশের অনেক জেলা থেকে গোপালগঞ্জ পিছিয়ে থাকলেও এটা নিয়ে কেউ কথা বলেনা।তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।

 

 

 
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ে গোপালগঞ্জ জেলের ৩৯ তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট দেয়া হয়। এরপরই ৪৫ তম আবর্তনের নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এ সময়ে সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, যখন খালেদা জিয়া মানচিত্র থেকে গোপালগঞ্জের নাম মুছে দেয়ার হুমকি ও কটূক্তি করে তখন দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি তার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। জেলার নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই ঐক্যবদ্ধতা ধরে রাখতে হবে। সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজিদ মিলন বলেন, আমাদের সকলের প্রয়োজনেই এক থাকা দরকার।

 

 

 

 
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্যায়ে গোপালগঞ্জের মেধাবী সন্তান ও বিশ^বিদ্যালয়ের প্রভাষক জান্নাতুল হাবিব সুব্রত কুমার দাস শুভকে সভাপতি ও সুশান্ত রতœকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১৬ সালের জন্য ২২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।কেমিটিতে স্খান পাওয়া অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন সহসভাপতি রইস উদ্দিন, রিয়াজ ইসলাম, বনি আলম, রতন বিশ^াস,মঈনুল রাকীব প্রমুখ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন পনির, সাইফুর, মারুফ, পলাশ।প্রচার সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ যথাক্রমে হৃদয় ও চয়ন মুন্সি। নয়া কমিটির সভাপতি শুভ ও সুশান্ত বলেন, যে দায়িত্ত¡ আমাদের উপর অপর্ণ করা হয়েছে তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপালগঞ্জ জেলার সকল শিক্ষার্থীদের বিপদে আপদে পাশে থাকবো আমরা। এরপর নয়া কমিটি ছাত্রকল্যাণ সমিতির সকল পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও গোপালগঞ্জ জেলার ছাত্রদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহবান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

 

লেখাপড়া২৪/এমটি/ ১০৩

পছন্দের আরো পোস্ট