বাংলা নববর্ষ উদযাপনে প্রস্তুত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

????????????????????????????????????
বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের প্রথম দিন নব উল্লাসে মেতে উঠবে কোটি বাঙালির হৃদয়। এবারের পহেলা বৈশাখ উদযাপন-১৪২৩ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। নববর্ষবরণে চারুকলা অনুষদ থেকে  বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে বের করা হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা।

 

এ বছর ‘মা ও শিশু’কে চেতনায় ধারণ করে “অন্তর মম বিকশিত কর অন্তর তর হে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনের রেখে শোভাযাত্রাটি চারুকলা থেকে বের হয়ে রূপসী বাংলা হোটেল চত্বরে ঘুরে আবার চারুকলার সামনে এসে শেষ হবে। চারুকলা ইনস্টিটিউটে দিনব্যাপী চলবে পুতুল নাচ ও নাগরদোলা। বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল বাংলা বিভাগ ও বাংলা অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে কলাভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

 

সংগীত বিভাগ সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায় আয়োজন করবে সংগীতানুষ্ঠানের। থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে নাট-ম-ল প্রাঙ্গণে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে পট-গান ও দেশের গান। মলচত্বর এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আরও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। মুহসীন হল মাঠে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে খাবারের আয়োজন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে আজ ১২ এপ্রিল ২০১৬ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

 

তিনি নির্বিঘ্নে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের জন্য ক্যাম্পাসে সকলকে স্বাগত জানান। নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতির সাথে সংশ্লিষ্ট চারুকলা অনুষদের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন বলেন, কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষত ১৪ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকবে। ভুভুজিলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, চার শতাধিক বিএনসিসি ও রোভার মোতায়েন থাকবে। জরুরী ঘোষণার জন্য মাইকিং-এর ব্যবস্থা থাকবে। ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকায় স্টীকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া কোন গাড়ি রাত ৮টা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে না। রাজু ভাস্কর্যের পাশে পার্কের বন্ধ গেট ও ছবির হাটের গেট বন্ধ থাকবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যলয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, কমিটির সদস্য-সচিব ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ডিএমপি কমিশনার মো: আছাদুজ্জামান মিয়া, শৃঙ্খলা উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ।##

 

লেখাপড়া২৪.কম/এমএইচ

পছন্দের আরো পোস্ট