রাবি ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের পুনর্মিলনী

RU Pic 19.02.2016নানা আয়োজন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চল্লিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক পুনর্মিলনী শুরু হয়েছে। সকালে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী এই পুনর্মিলনীর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান, ভূতাত্ত্বিক জরীপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. নেহাল উদ্দিন ও নারিশ হ্যাচারি এন্ড পোল্ট্রি’র কনসালটেন্ট নুরুল মো. কায়সার। বিভাগের সভাপতি ও পুনর্মিলনী ২০১৬ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর মো. হামিদুর রহমান।অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী কাওসার ও দিলশাদ।

 

পুনর্মিলনী উদ্বোধন করে উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ জীব ও ভূবিজ্ঞান শিক্ষাধারায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বিভাগ। গত চার দশক ধরে এই বিভাগ দেশে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিভাগের স্নাতকরা নিজ নিজ পেশায় সাফল্যের পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁদের অনেকে বিদেশেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁদের সেই সাফল্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গর্বিত। আগামীতেও সাফল্যের সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পুনর্মিলনীর মধ্য দিয়ে বিভাগের সাথে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ প্রসারিত হয়। ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চল্লিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনীও বিভাগের সাথে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বন্ধন আরও দৃঢ় করবে এবং এ্যালামনাসবৃন্দের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা জানান।

 

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যাশৃঙ্খলায় তথা দেশের খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে তেল-গ্যাসসহ অন্যান্য খনিজ সম্পদ আহরণে বিশেষ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। অন্যান্য পেশাতেও তাদের সাফল্য সামগ্রিকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে মর্যাদায় আসীন করেছে। পঠন-পাঠন ও গবেষণাক্ষেত্রে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দের অবস্থানও কৃতিত্বপূর্ণ। বিভাগের একজন শিক্ষক হিসেবে তিনিও এই কৃতিত্ব ও সাফল্যের অংশীদার বলে উল্লেখ করেন।

 

পুনর্মিলনী উদ্বোধনের আগে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে আরো ছিল বিকেলে স্মৃতিচারণ ও সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 

 

পছন্দের আরো পোস্ট