রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ফজলে হোসেন বাদশা

?
রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, ‘ড. শাসসুজ্জোহা ছাত্রদের বাঁচাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন। নিজের জীবনের বিনিময়ে তিনি ছাত্রদেরকে রক্ষা করেছিলেন। আত্মত্যাগের যে আদর্শ তিনি রেখে গিয়েছিলেন সেটা আমাদের ধারণ করতে হবে।’

 

বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাকসু ভবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সাংবাদিকতের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দিবস উপলক্ষে শহীদ ড. শামসুজ্জোহার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর কিছুক্ষণ আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যরা শহীদ শামসুজ্জোহার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

 

মতবিনিময়ের সময় রাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘রাকসু চালু থাকাবস্থায় আমি যে কক্ষটিতে বসতাম আজ আবারও এখানে এসে কথা বলতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকরা যেন এই কক্ষটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদের বাতিঘরে পরিণত করে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি করার সময় বিভিন্ন বিষয়ে এখানকার গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতাম। তারা আমাদের আন্দোলনের সকল তথ্য গণমাধ্যমে তুলে ধরে আমাদের সাহায্য করেছেন। আজ রাকসু ভবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রিপোর্টাস ইউনিটির (রুরু) কার্যালয়ে এসে খুব ভালো লেগেছে কারণ এই ভবন নির্মাণের পর আমরাই প্রথম এই কক্ষে অবস্থান করেছিলাম। আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা এখানে সময় কাটিয়েছি।’

 

এই সাংসদ আরও বলেন, ‘আজ অনেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। একমাত্র সাংবাদিকরাই পারেন তাদের লেখনির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরতে।’ এসময় তিনি প্রগতিশীল চর্চার মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন, রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জয়শ্রী ভাদুড়ী, সহ-সভাপতি কায়কোবাদ খান ও জাকির হোসেন তমালসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা।

 

 

পছন্দের আরো পোস্ট