বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে দেশের প্রথম আরবান ল্যাব

Pic-7বেসরকারি পর্যায়ে দেশের পরিবেশ বিপর্যয় নির্ণয়ের লক্ষে প্রথম আরবান (নগর) গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে (বিইউ)। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় (১৮ ডিসেম্বর ২০১৫) মোহাম্মদপুর ইউনিভার্সিটির তৃতীয় ক্যাম্পাসে এ আরবান ল্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান এবং মাইক্রোসফটের সিনিয়র আর্কিটেক্ট কাজী জামিল আজহার।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিইউ’র স্থাপত্য বিভাগের চেয়ারম্যান বিকাশ সাউদ আনসারী, বাংলাদেশ আরবান ইনস্টিটিউটের সভাপতি এবং বিইউ’র উপদেষ্টা ড. গোলাম রহমান, বিইউ’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য এবং নগর ও পরিবেশবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব, বিইউ’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মসিহ-উর-রহমান, বিইউ’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য কামরুল হাসান, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, মোহাম্মদী গ্রæপের চেয়ারম্যান রুবানা হক প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠানে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, শিক্ষা কোন পণ্য নয়। সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল এবং আধুনিক ও যুযোপযোগি শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি দেশের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করে চলছে। আরবান গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা তার অন্যতম উদাহরণ।

 

ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে আরবান গবেষণাগার স্থাপনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি হল প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যারা এ ধরণের একটি সুন্দর কাজে এগিয়ে এসেছে। এ ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারা আরো সহজে এখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা কাজে লাগাতে পারবেন। মোহাম্মদী গ্রæপের চেয়ারম্যান রুবানা হক গ্রীণ ঢাকা প্রতিষ্ঠার লক্ষে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির আরবান গবেষণাগার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিইউ’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার বলেন, বর্তমানে ঢাকায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ বসবাস করছে। যা প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৫শ এরও বেশি। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ মানুষ বসবাসের জন্য নগরে চলে আসবে। বিপুল এ জনগোষ্ঠির চাপ ঢাকা শহর যাতে নিতে পারে তার জন্য এখন থেকেই আমাদেরকে সুষ্ঠ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আর এক্ষেত্রে বিইউ’র আরবান গবেষণাগার পরিকল্পনা প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বিইউ’র তৃতীয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশ নেন অতিথিরা। পরে তারা আরবান গবেষণাগার ঘুরে দেখেন এবং এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। অনুষ্ঠানে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর সদস্যবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানগণ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

লেখাপড়া২৪.কম/বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি/নিপু/এমএএ-০৪১৪

পছন্দের আরো পোস্ট